প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘স্টেমসেল’ পদ্ধতিতে খরচ কমছে ডায়ালাইসিসের

ওয়ালি উল্লাহ : কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের খরচ কমাতে ভূমিকা রাখছে নতুন চিকিৎসা স্টেম সেল পদ্ধতি। এতে করে আশার আলো দেখছেন কমবেশি কিডনি সমস্যায় ভোগা দেশের কমপক্ষে দুই কোটি রোগী। এ প্রেক্ষিতে রোগটির চিকিৎসায় ডায়ালাইসিস নির্ভরতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে সেবাটি চালুর পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যায়যায়দিন

রাজধানীর আফতাব নগরে ‘বাংলাদেশ লেজার অ্যান্ড সেল সার্জারি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে (বিএলসিএস) স্টেম সেল পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিয়ে ডায়ালাইসিস সংখ্যা কমে যাওয়া একাধিক রোগীর সঙ্গে কথা বলে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানা গেছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেবা ব্যবস্থাটি ছড়িয়ে দিতে গবেষণা কার্যক্রম ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনি রোগীদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে প্রচুর অর্থ খরচ হয়। অনেক রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের সামর্থ্য থাকলেও কিডনি দাতা মেলে না। এক্ষেত্রে স্বল্প খরচে কিডনির কার্যকরিতা বাড়াতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক আবিষ্কার হলো স্টেম সেল। এই পদ্ধতিতে রোগীর শরীরের অকেজো রক্তনালি সচল করা, ক্ষত সারানো, ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ু পুনরুজ্জীবিত করা, স্বাস্থ্যকর নাইট্রিক অক্সাইড রিসেপটর ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এমনকি যেসব রোগীর সপ্তাহে তিন থেকে চারবার ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়, স্টেম সেল চিকিৎসার এক পর্যায়ে তারা ডায়ালাইসিস ছাড়াই সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএলসিএস হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্টেম সেল বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী বলেন, কিডনি অকেজো ব্যক্তিকে লোকাল অ্যানেসথেশিয়া প্রয়োগের মাধ্যমে তার পেট, পিঠ বা উরুর চামড়ার নিচ থেকে সামান্য পরিমাণে চর্বি সংগ্রহ করা হয়। এরপর বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত শেষে স্টেম সেল পৃথকীকরণ ও সংগ্রহ করা হয়। সুপ্ত সেলকে উদ্দীপ্ত করে রোগীর আক্রান্ত অঙ্গে সরাসরি প্রতিস্থাপন করা হয়। এছাড়া শিরাপথে সঞ্চালনের মাধ্যমেও সারা শরীরে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। এতে অকেজো কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত