শিরোনাম
◈ এ্যানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সালাহউদ্দিন এলজিআরডিমন্ত্রী হতে পারেন ◈ সরকার ও দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত ও ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চেয়ে হাইকোর্টে রিট ◈ আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা: বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল, ১১ দলীয় জোট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও বাস টার্মিনাল সরাতে গতি নেই, যানজটে নাকাল ঢাকা ◈ জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ ফ্যামিলি কার্ডের মাঠকর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, একের পর এক উপজেলায় ফল স্থগিত ◈ শূন্য পাসের ভয়াবহ চিত্র: তিন শতাধিক ‘নামসর্বস্ব’ প্রতিষ্ঠান, খোঁজা হচ্ছে কারণ, জবাবদিহির মুখে ২২৬ মাদ্রাসা

প্রকাশিত : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৫০ দুপুর
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৫০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোরে মাঠ ছেয়ে গেছে সরিষার ফুলে

মাজহারুল ইসলাম : জেলার ৮ উপজেলার মাঠে হলুদ ফুলের বিস্তৃতি অনাবিল সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় সরিষা চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন জেলার চাষিরা। যে কারণে গত মওসুমের চেয়ে এবছর ৪হাজার হেক্টর বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। আমন ধান কেটে একই জমিতে সরিষা চাষ করে লাভের আশা করছেন কৃষকরা। সরিষা ফুলে মৌমাছির আনাগোনা এক অন্যরকম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে মৌচাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে। বাসস

কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উঁচু ভূমির এ জেলা সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। জেলার ৮ উপজেলায় চলতি মওসুমে ১৩ হাজার ৬শ’৪০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। গত বছর এ জেলায় সরিষার চাষ হয়েছিলো ৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ জেলায় বারি সরিষা-১৪, ১৫, সোনালী সরিষা-৭৫ ও উফশী টরি-৭ জাতের সরিষার চাষ হয়েছে। সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলার অংশ মিলে জলেশ্বর বিলের অবস্থান। বিলটিতে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ সরিষার আবাদ হয়েছে।
বাঘারপাড়া উপজেলার হাবুল্যা গ্রামের কৃষক এখলাজ হোসেন জানান, তিনি প্রায় ৩বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। কোনো প্রাকৃতিক দুূর্যোগ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন তিনি। একই এলাকার কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম, লাভ বেশি। একমণ সরিষার দাম ২ হাজার টাকা। সরিষার তেলের চাহিদা বাড়ছে। তাছাড়া অব্যাহত ধান আবাদে জমির উর্বরতা কমে যায়। সরিষা আবাদে জমিতে সরিষার পাতা পড়ে তা পচার পর জমির উর্বরতা বাড়ে। এসব কারণেও কৃষকরা সরিষার চাষে ঝুঁকছেন।
কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা বিরেন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, সরিষার আবাদ বাড়াতে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। রোপণের আড়াই থেকে পৌনে ৩মাসের মাথায় সরিষা কর্তন করা যায়।
যশোর কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমদাদ হোসেন শেখ জানান, সরিষার ফলন বাড়াতে কৃষকদের ভালো মানের বীজ দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়