প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আপেল রফতানি করে ১শ কোটি ডলার আয়ের আশা করছে ইরান

রাশিদ রিয়াজ : উদ্বৃত্ত উৎপাদন হওয়ায় এবছর আর গোশত আমদানি করছে না ইরান। কারণ ইরানে গোশতের পুরো চাহিদা অভ্যন্তরীণ যোগাগ থেকেই মেটানো সম্ভব হচ্ছে। দেশটির সেন্ট্রাল ইউনিয়ন অব এনিমাল হাসব্যান্ড্রির ডিরেক্টর জেনারেল সাইদ সোলতানি বলেন, গোশত উৎপাদন উদ্বৃত্ত হওয়ায় তা আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ মাত্র ১০ ভাগ গোশত আমদানি করা হলেও এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় গবাদি পশু পালনে তা সহায়ক হয়েছে এবং গোশতের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরনা

এদিকে আপেলের উৎপাদনের ওপর নির্ভর করছে এ ফলটির রফতানি কি পরিমান হবে এবং কলা, আম ও আনারস ইরানের স্থানীয় বাজারে আমদানির প্রয়োজন হবে কি না। ইরান সরকার গত ৮ ডিসেম্বর থেকে নতুন এক বিধি জারি করেছে যাতে বলা হয়েছে আপেল চাষীদের অর্থনৈতিকভাবে সহায়তার জন্যে আগে তাদের উদ্বৃত্ত আপেল রফতানি নিশ্চিত করেই অন্যান্য ফল আমদানি করা যাবে। অর্থাৎ যে পরিমান অন্যান্য ফর আমদানি করা হবে তার একই পরিমান আপেল রফতানিও করতে হবে। এবছর ইরানে আপেল উৎপাদন হয়েছে ৩০ লাখ টনেরও বেশি। ইরানের অভ্যন্তরীণ চাহিদা রয়েছে ১৫ লাখ টন। বাড়তি আপেল রফতারি বিনিময়ে একই পরিমান কলা, আনারস, আম সহ অন্যান্য ফল প্রয়োজনে আমদানির বিধি জারি করেছে দেশটির সরকার।

গত বছর কুড়ি লাখ টন আপেল উৎপাদনের পর উদ্বৃত্ত ২ লাখ টন আপেল রফতানি করে ইরান আয় করে ১৫ কোটি ডলার। ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব এগ্রিকালচার প্রডাক্টের প্রধান রেজা নোরানি এসব তথ্য জানান। কুয়াশার কারণে গত বছর আপেল রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হলে অভ্যন্তরীণ বাজারে ফলটির দাম বেড়ে যায়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আপেল রফতানি করে ইরানের আয় করেছিল ৪৫ কোটি ডলার। এবছরের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় আপেলের ফলন ভাল হয়েছে। আশা করা হচ্ছে প্রায় ৪৫ লাখ টন আপেল উৎপাদন হবে এবছর। ১০ থেকে ১৫ লাখ টন আপেল রফতানি করে ১শ কোটি ডলার আয়ের আশা করছে রেজা নোরানি। ফিনান্সিয়াল ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত