প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে আজ কলকাতায় তৃণমূলের পদযাত্রা, আগুন জ্বলছে দিল্লিতেও

সালেহ্ বিপ্লব : নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে তিন দিন ধরে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে সহিংস বিক্ষোভ। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে । এদিকে, গতকাল দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা অনুমতিতে পুলিশ ঢুকে পড়ায় ছা্ত্রদের বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে রাজধানীর রাজপথেও। এনডিটিভি

আগের দুদিনের ধারাবাহিকতায় গতকালও গোটা পশ্চিমবঙ্গ উত্তাল ছিলো। মালদায় একটি স্টেশনে ভাঙচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়। মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু অঞ্চলে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতাকারীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সকলকে শান্ত ও সংযত হওয়ার আবেদন জানালেনও বিক্ষোভ থামেনি। অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী এও বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি বা ক্যাব কোনোটাই তিনি কার্যকর হতে দেবেন না।

বিক্ষোভের আগুন ঠেকাতে মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর ও হাওড়া জেলায় বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত ও বসিরহাট মহকুমা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ও ক্যানিং মহকুমাতেও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

এনআরসি ও ক্যাবের বিরোধিতা করে আজ সোমবার পদযাত্রার ডাক দিয়েছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল। বিআর আম্বেদকর ও মহাত্মা গান্ধির মূর্তির পাদদেশ থেকে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো পর্যন্ত এই পদযাত্রা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘রাস্তা ও রেল অবরোধ করবেননা। সাধারণ মানুষের হেনস্তা মেনে নেয়া হবে না। যারা এটা করছে ও আইন হাতে তুলে নিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না। যারা বাসে ট্রেনে আগুন লাগাচ্ছে ও জনতার সম্পত্তি নষ্ট করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।''
ওদিকে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে যে বিক্ষোভ চলছে, তা ছুঁয়ে গেছে রাজধানী দিল্লিকেও। গতকাল দুপুরে দিল্লি দক্ষিণে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে যোগ দেয় সাধারণ মানুষও্। সমাবেশ বড়ো হতে থাকলে এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। বিক্ষোভ থামাতে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে পুলিশ, লাঠিচার্জও করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত