প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার প্রতিবেদন প্রকাশে অস্বীকার করায় পদত্যাগ করলেন নিউজউইকের প্রতিবেদক তারেক হাদ্দাদ

রাশিদ রিয়াজ: সিরিয়ার ডোমায় রাসায়ানিক গ্যাস হামলা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন নিউজউইকের প্রতিবেদক তাকের হাদ্দাদ যাতে এমন কিছু ইমেইল চালাচালির ঘটনার উল্লেখ ছিল যা ওই হামলা সম্পর্কে গুরুতর কিছু প্রশ্নের সৃষ্টি করে। কিন্তু এধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেননি পত্রিকাটির সম্পাদক। এবং কোনো কারণ ছাড়া এ প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় তারেক হাদ্দাদ গত শনিবার পদত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন। তবে তারেক হাদ্দাদের প্রতিবেদনে গত বছর এপ্রিলে সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার বিষয়ে যে তথ্য ছিল তার সঙ্গে এর কোনো মিল ছিল না। রাসায়নিক হামলার অজুহাতে মার্কিন সেনাবাহিনী ও মিত্রদেশগুলো সিরিয়ায় একাধিক হামলা চালায় এবং তা যৌক্তিক হিসেবে উল্লেখ করে। অর্গানাইজেশন ফর দি প্রোহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপনস এর পক্ষ থেকে সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার জন্যে বরাবরাই দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসদ ও তার সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়। ওই অর্গানাইজেশনের ইন্সপেক্টর প্রেরিত বেশ কিছু ইমেইলে তথ্যানুসন্ধানের পর তাকের হাদ্দাদ তার প্রতিবেদনে উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করেন। ওই ইন্সপেক্টর ডোমায় রাসায়নিক হামলার তদন্তে নিয়োজিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত হলেও পক্ষপাত নেয়ার অভিযোগ ওঠে। ফক্স নিউজ

তাকের হাদ্দাদ এও অভিযোগ করেছেন, নিউজউইক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তবে তারেকের প্রতিবেদনের প্রশংসা করেছেন অনেক প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং তাদের মধ্যে মেইল অন সানডে’র কলামিস্ট পিটার হিচেন্স উল্লেযোগ্য। পিটার হিচেন্স অবশ্য সিরিয়ার ডোমায় রাসায়নিক হামলার খবরাখবর নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর কড়া সমালোচক। গত বছর সিরিয়ার ডোমায় ওই হামলার জন্যে পশ্চিমা মিডিয়াগুলো দামাস্কাস বা আসাদ সরকারের সমালোচনা করলেও তারেক হাদ্দাদের প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে পরিস্থিতি পুরোপুরি অর্গানাইজেশন ফর দি প্রোহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপনস’এর বিপক্ষে চলে যেত বলে পশ্চিমা মিডিয়াগুলো এ ব্যাপারে নিশ্চুপ রয়েছে বলেউ অভিযোগ উটেছে। আরটি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত