শিরোনাম
◈ সাগরপথে ইতালি প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশ, বাড়ছে মৃত্যু-নিখোঁজ ◈ পাঁচ সিটিতে এনসিপির প্রার্থী হলেন যারা ◈ ইরানের হামলায় দাউ দাউ করে জ্বলছে ইসরাইলি শিল্পাঞ্চল ◈ বিসিবিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত হ‌বে: সংস‌দে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ হামে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ দীর্ঘ ছু‌টি কা‌টি‌য়ে দেশে ফিরেই মিরপুরে হাজির বি‌সি‌বি সভাপ‌তি বুলবুল ◈ পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের দাপট, বিশ্বসেরার তালিকায় ৫২ কারখানা ◈ গত ৮ বছর দেশে হামের কোনো টিকা দেওয়াই হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০ শয্যার আইসিইউ দ্রুত চালুর নির্দেশ ◈ রাতেই ১৩৩ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৩ সকাল
আপডেট : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিসি হিসেবে থাকার সকল নৈতিকতা হারিয়েছেন ফারজানা ইসলাম

কামরুল হাসান মামুন : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘অভিযোগ আনলেই তো হবে না? অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই শাস্তি পেতো অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীকেও ঠিক সেই পরিমাণ শাস্তি পেতে হবে’। আচ্ছা অভিযোগ প্রমাণ হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কি শাস্তি হতো? বড়জোর ভিসি পদ থেকে বরখাস্ত করতো। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিশ্চই শিক্ষকতা চাকরি হারাবেন না বা জেল জরিমানা হবে না। এখন আন্দলোনকারীরা অর্থাৎ অভিযোগকারীরা অভিযোগ প্রমাণের ব্যর্থ হলে তাদের কি শাস্তি দেওয়া হবে? আমার মাথায়তো সেটা আসতেছে না।

অভিযোগকারীদেতো ভিসি পদ নাই যে একই শাস্তি দেওয়া যাবে। আমরা গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নাসির সাহেবের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তার শাস্তি কি হয়েছে? ভিসি পদ থেকে অপসারণ এবং এরপর স্বপদে প্রত্যাবর্তন। ভিসি নাসিরের বিরুদ্ধে এতো এতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্ত সাপেক্ষে তাকে কেন বিচারের সম্মুখীন করা হলো না? এটা কি সুশাসনের ব্যত্যয় না? আজ যদি ভিসি নাসিরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দুর্নীতির ও অন্যান্য অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা হতো এবং সাজা হতো, তাহলে বুঝতাম জাহাঙ্গীরনগরের ক্ষেত্রে অভিযোগকারীরাও মামলা ও শাস্তির আওতায় আসবেন।

তার মানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও বড়জোর যেটা ঘটবে তাকে বরখাস্ত করা যা অতীতে অনেকবার হয়েছে। কিন্তু অতীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব ভিসিদের আন্দোলনের মাধ্যমে সরানো হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বর্তমান ভিসির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মত এইরকম গুরুতর নৈতিকতার স্খলনের অভিযোগ ছিল না। বর্তমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি যা করলেন তা নজিরবিহীন এবং নিজের চেয়ার ঠিক রাখার জন্য সন্তানতুল্য ছাত্রদের ব্যবহার করলেন। এই ছেলেমেয়েরা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে পড়াশোনা করার জন্য। ওই ভিসির লাঠিয়াল হওয়ার জন্য নয়। যেই ভিসি নিজ দলের ছাত্র সংগঠনকে দিয়ে তারই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকদল ছাত্র ও শিক্ষকের উপর হামলা করায় এবং অনেককে আহত করায় তারপর আবার হামলাকারীদের অভিনন্দন দেয় তিনি কি করে আর ভিসি থাকতে পারেন। ভিসি হিসেবে থাকার সকল নৈতিকতা তিনি হারিয়ে ফেলেছেন। এখন টাকা দেওয়া বা দুর্নীতি করার অভিযোগ প্রমাণের প্রয়োজন কি আর আছে?

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়