শিরোনাম
◈ ঋণের চাপে প্রথম বাজেট: বিএনপি সরকারের সামনে কঠিন আর্থিক সমীকরণ ◈ বছরে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়, ঈদের আগে দুই জেলায় মিলবে ফ্যামিলি কার্ড ◈ জাতীয় পার্টি দাবি করেছে, দলটিকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপ, ইংল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে ৫১ রা‌নে হার‌লো শ্রীলঙ্কা ◈ রাজধানীর কলাবাগানে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ ◈ হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান ◈ কারাগারে থেকেই আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রার্থী ব্যারিস্টার সুমন ◈ জাপানমুখী কর্মসংস্থানে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার, আসছে ৭ দিনের কর্মপরিকল্পনা ◈ পে-স্কেলের দাবি: প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি, সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার দাবি ◈ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০১:৩৪ রাত
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০১:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসুস্থ নেতাকে সুচিকিৎসা জন্য মুক্তি দিতে সরকারের কাছে আহবান জামায়াতের আমীরের

রফিক আহমেদ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদ দলের সাবেক এমপি অসুস্থ মাওলানা আবদুস সুবহানকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহবান জানান।

জামায়াতের আমীর বলেন, বিশিষ্ট আলেমে মাওলানা আবদুস সুবহান কিছু দিন আগে হঠাৎ করে পড়ে যাওয়ায় তার বাম হাত ভেঙ্গে গিয়েছে। ফলে তিনি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার অসুস্থতায় তার পরিবার-পরিজনসহ দেশের জনগণ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। কারাগারের হাসপাতালের ডাক্তার তাকে বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পরবর্তীতে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মকবুল আহমাদ বলেন, তিনি দীর্ঘ ৯ বছর যাবত কারাগারে বন্দি আছেন। তিনি সরকারের রাজনৈতিক জুলুম ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন জাতীয় নেতা। তিনি পাবনা সদর থেকে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পাবনায় বহু স্কুল-কলেজ, এতিমখানা ও মসজিদ-মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। জনগণের সেবার জন্য তিনি হাসপাতালও প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তিনি বলেন, তাঁর বয়স বর্তমানে ৯০ বছর। তিনি বার্ধক্যসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। একজন বয়স্ক জাতীয় নেতা ও ৫ বার নির্বাচিত সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একজন অসুস্থ মানুষকে এভাবে বেধে রাখা সম্পূর্ণ অমানবিক। একদিকে তিনি সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত।

তিনি মানবিক দৃষ্টিতে বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করে দেশের একজন বর্ষিয়ান প্রবীণ নেতা হিসেবে তাকে বিশেষ বিবেচনায় মুক্তি দিয়ে উন্নতমানের চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়