প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তাহলে দুস্থ শিল্পী কারা?

মোস্তফা ফিরোজ : বড় বড় শিল্পীরাও এখন চিকিৎসার জন্য সরকারের তহবিল থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছেন। তাদের নাম নাইবা বললাম। সাধারণত এ ধরনের সরকারি তহবিল থেকে দুস্থ, অসচ্ছল ও অসহায় শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক বা অন্যান্য পেশার মানুষকে চিকিৎসাসহ নানা বিপদ-আপদে সহায়তা করা হয়। কিন্তু যদি বড় বড় কোনো মানুষ সরকারের কাছে এমন সহায়তা চেয়ে থাকে তাহলে হয়তো কিছটা বিব্রত হয়েই আর্থিক সাহায্য দেয়া হয়। প্রবাস নিয়ে কাজ করার সুবাদে আমি জানি যেসব শিল্পী বিদেশে যান নাচ, গান করতে তাদের মোটা অঙ্কের সম্মানী দেয়া হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সেটা দশ লাখ টাকা পর্যন্ত। অনেকে প্রবাস থেকে অনুষ্ঠান করার জন্য আমার কাছে শিল্পী চেয়েছেন। আমি তখন খোঁজ করে তাদেরকে টাকার অঙ্কটা বলি। তখন অনেকেই আর সেটা বহন করতে পারেন না বলে বাংলাদেশ থেকে শিল্পী আনার সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। বাধ্য হয়ে তারা লোকাল বাংলাদেশি কমিউনিটির শিল্পী দিয়ে অনুষ্ঠান সারেন। বাংলাদেশে যেসব নামি-দামি শিল্পী আছেন তাদের রেট এতো বেশি যে অনেক চ্যানেলও তাদের নিয়ে এখন কোনো অনুষ্ঠান করতে পারে না। ঈদের সময় যখন অনুষ্ঠান বাজেট থাকে তখন তাদের দিয়ে অনুষ্ঠান করা হয়।

এসব শিল্পীরা যদি সারা জীবন ভালো সম্মানী পেয়ে থাকেন তাহলে দুস্থ হন কোন সজ্ঞায়? তারাতো দামি ঘাড়ি হাকান। সাজানো বাড়িতে বসবাস করেন। এরা যদি সরকারি তহবিল থেকে টাকা পান তাহলে প্রকৃত দুস্থ শিল্পী সাহিত্যিকদের বরাদ্দ কি কমে যাবে না? কিছুদিন আগে দেখা গেলো একজন নামকরা শিল্পী সরকারি পয়সায় হজ্বে গেলেন। আমার মনে হয় কারা দুস্থ আর কারা ধনী এ বিষয়ে একটা নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। সেটা না থাকলে দেখা যাবে নামি-দামি ভাগ্যবানরাই সরকারি তহবিল থেকে টাকা নিয়ে যাবে। তাদের দাপটে বঞ্চিত হবেন প্রকৃত দুস্থরা! ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত