শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের অনুশীলনে ঘাসের মধ্যে বিষধর কপারহেড সাপ, আতঙ্কে জার্মান ফুটবল দল ◈ বড় বিনিয়োগে বদলাচ্ছে পতেঙ্গা টার্মিনাল, আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫২ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

গাজার ৭৫ শতাংশেরও বেশি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নেই: জাতিসংঘ

পার্সটুডে-জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, গাজা উপত্যকার ৭৫ শতাংশেরও বেশি বাসিন্দা এখনও তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং অপুষ্টির সাথে লড়াই করছেন। তিনি সর্বশেষ খাদ্য নিরাপত্তা শ্রেণীবিভাগ (আইপিসি) প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি তুলে ধরে একথা বলেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, যদিও গাজা উপত্যকায় খাদ্য পাঠানোর কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং দুর্ভিক্ষ থেকে মুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এইসব পদক্ষেপ খুবই ঠুনকো।

পার্সটুডে জানিয়েছে, ডুজারিক সতর্ক করে বলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি প্রায় ১.৬ মিলিয়ন মানুষ (গাজার জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশেরও বেশি) তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং অপুষ্টির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়াও, আইপিসি রিপোর্ট অনুসারে, প্রায় ১,৯০০ মানুষ বিপর্যয়কর পরিস্থিতির শিকার হবে (পঞ্চম পর্যায়) এবং ৫৭০,০০০ এরও বেশি মানুষ  চরম (পঞ্চম পর্যায়) ক্ষুধার মুখোমুখি হবে।

ডুজারিক জোর দিয়ে বলেন, শীতকালীন ঝড়, রোগ, দুর্বল স্যানিটেশন এবং হাসপাতাল ও পানির ব্যবস্থাসহ ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর মতো জরুরি বিষয়গুলো সংকটকে আরও গভীর করেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র, ঝুঁকিপূর্ণ গাজাবাসীর ওপর খাদ্য সংকটের প্রভাব উল্লেখ করে এক পরিসংখ্যানে বলেছেন, ২০২৬ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝি নাগাদ পাঁচ বছরের কমবয়সী ১,০০,০০০ 'এরও বেশি শিশু এবং ৩৭,০০০ গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের তীব্র অপুষ্টির জন্য জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হবে। প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, গাজার কোনও শিশুর ন্যূনতম খাবারের ব্যবস্থা নেই এবং দুই-তৃতীয়াংশ শিশু মারাত্মকভাবে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়