শিরোনাম
◈ রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪ ◈ এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ ◈ দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান থেকে স্মার্ট গ্রিড—জ্বালানি খাতে সরকারের ১০ বছরের রূপরেখা ◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও) ◈ নিজের গ্যাস মাটির নিচে রেখে এলএনজি আমদানির মাফিয়াতন্ত্র: জ্বালানি খাতের অন্ধকার চিত্র(ভিডিও) ◈ তারেক রহমান ব্রিকসও এড়িয়ে যেতে পারেন

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রামীণ ফোন ও রবিকে লাইসেন্স বাতিলেন নোটিশ পাঠাচ্ছে বিটিআরসি

মুসবা তিন্নি : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোন ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর রবির কাছে সরকারের পাওনা আদায়ে কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।সরকারেরর দাবিকৃত পাওনা পরিশোধ না করায় তাদের লাইসেন্স কেনো বাতিল করা হবে না- এই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। ইতোমধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিটিআরসিকে লাইসেন্স বাতিলের নোটিস ইস্যু করার অনুমতি দিয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অর্থসূচক

জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর বিটিআরসি গ্রামীণফোন ও রবিকে লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট, ২০০১ এর ৪৬ ধারা অনুযায়ী এ নোটিস পাঠানো হচ্ছে, যেখানে যৌক্তিক কারণে কমিশনকে লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিতের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অপারেটরদের দেওয়া লাইসেন্সের শর্ত ও বিধিবিধান ভঙ্গ হলে এমন নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে কমিশন। তবে কোনো মোবাইল অপারেটরের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতের আগে কমিশনকে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের ব্যাখ্যা চেয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য ৩০ দিন সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ করতে হবে।

উল্লেখ, বিটিআরসির উদ্যোগে পরিচালিত বিশেষ নিরীক্ষায় কোম্পানি দুটির বড় অংকের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদঘাটিত হয়। সে অনুসারে এই দুই কোম্পানির কাছে সরকারের মোট রাজস্ব পাওনা ১৩ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা। আর রবির কাছে পাওনা আছে ৮৬৭ কোটি টাকা। গত বছরের জুলাই মাসে সাত কার্যদিবসের মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধে রবিকে চিঠি পাঠিয়েছিল বিটিআরসি। আর চলতি বছরের এপ্রিল মাসে একই দাবিতে চিঠি পাঠানো হয় গ্রামীণফোনের কাছে।

গ্রামীণফোন ও রবির কর্তৃপক্ষ বিটিআরসির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে তাতে কোনো সাড়ে দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বরং কোম্পানি দুটির উপর চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গত ২ জুলাই গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দেয় তারা। তবে ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে তুমুল সমালোচনার প্রেক্ষিতে এক সপ্তাহের মধ্যে আবার ওই ব্যান্ডউইথ পুনর্বহাল করা হয়। এবার চুড়ান্ত চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে লাইসেন্স বাতিল করার বিষয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। সম্পাদনা : রাশিদ/মহসীন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়