শিরোনাম
◈ বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগের একটা লোকও মারা যাবে না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ◈ জনগণের অর্থের সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করতে সিএজি’কে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ  ◈ নিষেধাজ্ঞা না থাকায় বেনজীর আহমেদ যে কোনো দেশে যেতে পারেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রী ◈ আগের বছরের তুলনায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কমেছে: যুক্তরাষ্ট্র ◈ জামায়াতসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির গভীর বন্ধন রয়েছে: ওবায়দুল কাদের ◈ ভুটান বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ফি কমিয়েছে ◈ ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাজ্যের ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি ফিরিয়ে দিলেন শহিদুল আলম ◈ মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসাবে ক্লদিয়া শেইনবম নির্বাচিত ◈ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিলেট নগরী ◈ আফতাব নগরে গরুর হাট বসবে না: আপিল বিভাগ

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০১৯, ০৬:১০ সকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০১৯, ০৬:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আগে পরমাণু হামলা করবে ভারত!

নিউজ ডেস্ক : যুদ্ধ পরিস্থিতি দেখা দিলে ভারত শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ‘প্রথমে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না’ বলে এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু আগামী দিনে এ নীতি বদল করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। যুগান্তর

পরিস্থিতি কি দাঁড়ায় তার ওপরই এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জম্মু-কাশ্মীরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের পর একের পর এক উসকানিমূলক মন্তব্য করতে দেখা গেছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। নয়াদিল্লির সঙ্গে সব রকমের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ইসলামাবাদ।

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে বিশ্ব নেতাদের এগিয়ে আসতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইমরান খানের সরকার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

দিল্লির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভারতকে পরমাণু শক্তিধর দেশে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। তবে, পরমাণু অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার আমরা করব না, এ নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন তিনি। এখনো সেই নীতি মেনে চলছে ভারত। তবে ভবিষ্যতে কী হবে, তা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।

১৯৭৪ সালে ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রথমবার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত। এর দু’দশক পর অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে ১৯৯৮ সালে পোখরানেই দ্বিতীবার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করা হয়। জবাবে দু’সপ্তাহ পর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে পাকিস্তানও।

তখনই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের নজরে আসে। দু’দেশের উপরেই পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দেয় মার্কিন সরকার। ছ’মাস পর তা উঠে গেলেও পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে ভারত-পাক বিরোধ চরমে ওঠায় তা নিয়ে অস্থির হয়ে ওঠে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি।

এরপরই পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনের উদ্যেগ নিয়েছিলেন বাজপেয়ী। ১৯৯৮-৯৯ সাল পর্যন্ত দু’দেশের মধ্যে একাধিক শান্তি চুক্তি সই হওয়ার সময়ই পরমাণু অস্ত্র ‘প্রথম ব্যবহার নয়’ নীতি নেয় ভারত। সে নীতিতেই এখন পরিবর্তন আনার জল্পনা সৃষ্টি করলেন রাজনাথ।

স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উসকিয়ে দেয় পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

সূত্র: আনন্দ বাজার, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও জিনিউজ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়