শিরোনাম
◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা ◈ হরমুজে আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা প্রায় ২০০০! ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: বাণিজ্যমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করপোরেট হাউজগুলো কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা দিলেও মিডিয়ায় কেন নেই?

সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা : সকালে অফিস পথে স্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ... সে একটি বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। তাদের প্রতিটি কর্মীর একটা ক্যারিয়ার পথ আছে। তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি আছে, আছে চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা। মিডিয়ায় কেন নেই? মিডিয়া সবার সমালোচনা করে, সবাইকে শিক্ষা দেয়, অথচ নিজেদের ভেতর কোনো প্রাতিষ্ঠানিকতা নেই। প্রভিডেন্ট ফান্ড বেশিরভাগ হাউজে নেই, গ্রাচুইটি নেই... বেতন অনিয়মিত, ইনক্রিমেন্ট নেই। কর্মীদের কোনো ক্যারিয়ার পথ গড়ে দিতে পারে না। এমন এক হতাশ সাংবাদিক সমাজ নিজের এই দুরবস্থায় রাষ্ট্র ও সমাজকে কি দেবে?

নির্বাচিত মন্তব্য : মাসুদা ভাট্টি-১. মিডিয়া ব্যবসা নয়, ‘ফিল্যান্থ্রপি’ যা এদেশে দাঁড়ায়নি। এদেশে মিডিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘ঠাটবাট’ বজায় রাখার ‘টুলস’, তাই টুলসের আবার গ্রাচুইটি/প্রভিডেন্ট ফান্ডের দরকার কি? টুলসের যা কাজ তাই-ই সাংবাদিকরা করতে বাধ্য! থাকলে থাক না হলে রাস্তা মাপো! ২. রহমান মাহবুব-এক মিডিয়াকর্মী বন্ধু ক্ষোভের সঙ্গে একদিন বললো, মিডিয়া মালিকরা অনেক ধনের মালিক। তাদের সম্পদের খুব সামান্য এ খাতে বিনিয়োগ করে, তবে লাভ বেশ হয়। তাদের জীবনকে উর্বর করার জন্য বিশেষ জাতের প্রাণী শিকারের ফাঁদ এটি। তারা বেশ সুখেই থাকে। কর্মীর কল্যাণ নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায়...?

৩. আলম মেহেদী- লতা থেকে সাংবাদিকদের ধীরে ধীরে বৃক্ষ হওয়ার সুযোগ একসময় এসেছিলো। একশ্রেণির নেতৃত্ব গোটা সাংবাদিক সমাজকে আরও ক্ষীণকায় লতায় পরিণত করে সে সুযোগকে বেচে নিজেরা কলাগাছ হয়ে গেছে। মালিকানায়ও কোনো সাংবাদিক বা মিডিয়াবান্ধব কেউই নেই। সুতরাং দু’গ্রুপ ধান্ধাবাজের কাঁঠালপাতা যার হাতে, সে হচ্ছে ক্ষমতাবান শাসক। তার পোয়া সবসময়ই বারো, এখন সেটা ষোলো আনায় পরিপূর্ণ। বেচাবিক্রিতে পড়ে খাঁটি নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক মাসের পর মাস বিনাবেতনে এক ধান্ধাবাজের কারখানায় কলম পেষে আর আরেক ধান্ধাবাজের ডাকা মানববন্ধনে বিরসবদনে দাঁড়ায় আর প্রহসন-মিছিলে খালিপেটে অবিরাম হাঁটে, হেঁটেই যায়। লবণ চাখতে চাখতে পুরো ব্যঞ্জন খেয়ে ফেলা নেতৃত্ব থেকে বের হয়ে না আসতে পারলে এদেশে সাংবাদিকতা পেশা অপুষ্ট বিবর্ণ মুকুলই থেকে যাবে। পুষ্টিলাভ ঘটবে ‘অসাংবাদিক’ দালাল শ্রেণির। সে প্রক্রিয়া ফুলেফেঁপে বেগবান। পাদটীকা : আমি একজন সংবাদপত্র মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি সাধারণত বিবাহিত না হলে কাউকে তার পত্রিকায় চাকরি দেন না। কারণ পেছনে সংসারের জোয়াল না থাকলে সাংবাদিকদের লাইনে রাখা যায় না। নানা রকম দাবি-দাওয়া নিয়ে মিছিল-টিছিল করে, কলম ধর্মঘট করে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়