শিরোনাম
◈ যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়ে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ইতিহাসের সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত, সংকটের শঙ্কা নেই: প্রতিমন্ত্রী ◈ সংসদের শব্দযন্ত্র স্থাপনে অনিয়ম, যা বললেন ঠিকাদার জাহিদুর ◈ বঙ্গোপসাগরে যে কারণে অলস পড়ে আছে ৮,২২২ কোটি টাকার তেল জেটি! ◈ দেশের আর্থিক সম্পদ রক্ষায় জনগণকে গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির ◈ বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ চাপে সাময়িক স্বস্তি: রাশিয়া থেকে আমদানিতে ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশকে জুনে কিস্তি দেবে না আইএমএফ, নতুন চুক্তির প্রস্তাব ◈ সংরক্ষিত নারী আসন: ত্যাগীরা অগ্রাধিকার পাবেন, শরিক দল থেকে বিএনপি মনোনয়ন পেতে আলোচনায় যারা ◈ এবার নতুন একটি যে উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ! ◈ শুধু ইরান নয়, আরও বহু দিকে হারছেন ট্রাম্প: চাপে মার্কিন নেতৃত্ব

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংকট কাটাতে ট্রেনে পানি আনা হচ্ছে চেন্নাইয়ে

আসিফুজ্জামান পৃথিল : চেন্নাইতে মিটছেই না পানির সঙ্কট। পানীয় জলের অভাব মেটাতে শহরটি এবার ২০ লাখ ৫০ হাজার টন পানি আমদানি করেছে। ৫০টি ওয়াগনে করে রেলপথে এই পানি আনা হয়। শুক্রবার সকালে প্রথম চালানটি পৌঁছানোর পর আরো কিছু ট্রেন পানি নিয়ে আসে। সব মিলিয়ে তামিলনাড়–র রাজধানীটিতে এদিন ১ কোটি লিটার পানি পৌঁছে দেয় ভারতীয় রেলওয়ে। এজন্য খরচ হয়েছে ৬৫ কোটি রুপি। ডেকান ক্রনিকেল, আনন্দবাজার।

চেন্নাইতে গত ২০০ দিন কোন ধরণের বৃষ্টিপাত হয়নি। এজন্যই চরম পানির সঙ্কট চলছে। চেন্নাইতে ৪টি হ্রদ থেকে পানি সরবরহ করা হয়। সবগুলো হ্রদই শুকিয়ে গেছে। দৈনিক সরবরাহের চেয়ে নগরীটিতে ২০ কোটি লিটার পানির সরবরাহ ঘাটতি আছে। শুক্রবার প্রথম ট্রেনটি পানি নিয়ে আসে তামিলনাড়–র জোলারপাত স্টেশন থেকে। প্রতিটি ট্রেনের জন্য ভারতের দক্ষিণ রেলওয়ে পাবে সাড়ে ৭ লাখ রুপি। আর প্রতিটি ওয়াগন ৫০ হাজার লিটার পানি ধরে। জলসঙ্কটে সবচেয়ে বিপদে পড়েছে চেন্নাই আর ভেলোরের হাসপাতালগুলো। সরকার সকলের প্রতি আবেদন জানিয়েছে পানির ব্যবহার কমানোর জন্য। তবে এই পানি এখনই সরবরাহ করা হবে না। সরকার জানিয়েছে এগুলো মজুত করে এরপর সকলের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়