প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনকেই বড় ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করেন আহমদ রফিক

জুয়েল খান : চীন নানাভাবে বাণিজ্যে-বিনিয়োগে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বঙ্গোপসাগর নিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক স্বার্থও এক্ষেত্রে জড়িত। চীনকে এখন এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন লেখন-গবেষক আহমদ রফিক।
তিনি বলেন, বিশেষ করে চীন ও রাশিয়া। চীনের স্বার্থ প্রত্যক্ষ। মিয়ানমারের সঙ্গে তার বহুবিধ পথে সংশ্লিষ্টতা। সীমান্ত সংলগ্নতা থেকে অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক। অর্থনৈতিক বিনিয়োগ থেকে রাজনৈতিক স্বার্থে চীন মিয়ানমারের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

তাই মিয়ানমার সরকারের গণহত্যা তাদের চোখে পড়ে না, মানবিক বিচার বিবেচনা তাদের হিসাবে আসে না। ফলে মিয়ানমারের প্রতি তাদের অন্ধ সমর্থন। কিন্তু রাশিয়া? তাদের স্বার্থটা তো মূলত রাজনৈতিক-বাণিজ্যিক। তবু তারা মানবিক বিবেচনাকে শিকেয় তুলে রেখেছে। বাংলাদেশের সমস্যা তাদের আলোড়িত করছে না। যেমন করেছিলো ১৯৭১ সালে। তাই বলে এমন যে প্রতিবেশী দেশ, মিত্র দেশ ভারত, সেও এ ব্যাপারে উদাসীন হবে কেন? কিন্তু হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্র? বাংলাদেশকে নানা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইস্যুতে ব্যবহার করছে, কিন্তু তার সংকটে, সমস্যায় মুশকিল আসানে নিষ্ক্রিয় বরং বানরের ভিন্ন মাত্রিক পিঠা ভাগে নতুন উদ্যোগের কথা ভাবছে। সর্বোপরি এ সমস্যার সমাধান না হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও তার সমাজ বৃহত্তর সমস্যায় জড়িয়ে পড়বে। বিশেষ করে রোহিঙ্গারা জড়িয়ে পড়েছে অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসায়’। আর পড়বেই বা না কেন? শরণার্থী শিবিরের জীবন তো স্বচ্ছন্দ জীবন নয়। জানে একাত্তরের বাঙালি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে। জানে বাংলাদেশে জেনেভা ক্যাম্পের বিহারিকুল। জানে বিশ্বজুড়ে শরণার্থী মাত্রই। তাই স্বচ্ছন্দ, সচ্ছল জীবনের প্রত্যাশায় তাদের তারুণের অন্ধকার জগতের দিকে হাত বাড়ানো। সূত্র : কালেরকণ্ঠ
আর এটা সম্ভব হচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির পরিচালনায় বাংলাদেশি প্রশাসনের উদাসীনতায় এবং সেইসঙ্গে উচ্চ নৈতিক মানের অভাবে। শিবিরের শৃঙ্খলা বিধান যদি যথাযথই হবে, তাহলে সেখানে অনৈতিকতা ও নানামাত্রিক দুর্নীতির প্রবেশ ঘটে কীভাবে। রোহিঙ্গা যুবারা অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ে জড়িত হয় কীভাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত