শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০১৯, ০৪:১৬ সকাল
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০১৯, ০৪:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুম্বাইয়ের একমাত্র নারী বাসচালক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার প্রতীক্ষা দাশ

আমিরুল ইসলাম : মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এক তরুণী পেশা হিসেবে নিয়েছেন বাস চালনাকে। এই নারী ভারতে বেস্ট কোম্পানির বাস সার্ভিসের একমাত্র নারী চালক। টাইমস অব ইন্ডিয়া তাকে নিয়ে একটি ফিচার প্রকাশ করে। এতে উঠে আসে যাত্রীবাহী বাস চালানো সাহসী এ নারীর গল্প। সাধারণত বাস কিংবা ট্রাকের মতো ফোর-হুইলার গাড়ির চালানোর সক্ষমতা পুরুষই রাখে। কিন্তু সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন মুম্বাইয়ের মেয়ে প্রতীক্ষা দাশ। উত্তর মুম্বাইয়ের মফস্বল শহর মালাদের ঠাকুর কলেজ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর ডিগ্রি অর্জন করেন প্রতীক্ষা। বেস্ট কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইতে তিনিই এখন একমাত্র নারী বাসচালক। বেস্ট ট্রেইনিং স্কুল থেকে তিনি গাড়ি চালনার উপর কোর্স করেন। সূত্র : দেশ রূপান্তর

প্রতীক্ষা বলেন, ‘একটা সময় ইচ্ছা ছিলো শিক্ষকতা করবো। কিন্তু এখন আমার প্রেম গাড়িকে ঘিরে। আগ থেকেই গাড়ির প্রতি আমার আগ্রহ ছিলো। শুরুতে আমি মোটরসাইকেল চালানো শুরু করি। এরপর মোটরকার, এখন বাস চালাচ্ছি। বাস এবং ট্রাক দুইটাই আমি চালাতে পারি। কলেজ পাস করে ভেবেছিলাম রিজওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসারের চাকরির জন্য চেষ্টা করবো। এজন্য ভারি যানবাহন চালানোর লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। তখন আমি বাস চালানোর প্রশিক্ষণ নিই। তখন মনে হলো এটাই তো দারুণ।’ বাসচালক হিসেবে একজন নারীকে মেনে নিতে চান না যাত্রীরা। অনেকে তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে এমনকি নেতিবাচক মন্তব্যও করে থাকে। তবে পেশাটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন বলে তিনি জানান। প্রতীক্ষা বলেন, হুইলের পেছনে একজন তরুণীকে দেখে অনেকে গাড়িতে উঠতে চান না। কিন্তু লক্ষ্যকে ঠিক রেখে তাদের এসব অবজ্ঞাকে এড়িয়ে আমি এগিয়ে যাই।

  • সর্বশেষ