শিরোনাম
◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি  ◈ আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে নিয়ে দিলো বার্তা ◈ বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে না : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা (ভিডিও) ◈ নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে আইজিপির নির্দেশ ◈ সাফ ফুটসালের শেষ ম্যাচে নেপালের কাছে পরা‌জিত বাংলা‌দেশ ◈ আচরণবিধি লঙ্ঘন, সারজিস আলম ও নওশাদকে শোকজ ◈ ‘বাংলাদেশের প্রতি অবিচার করেছে আইসিসি’

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল
আপডেট : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুকুর পালনের শরয়ি নির্দেশনা

আমিন মুনশি : সৌখিনতা মানব সমাজের একটি সৃষ্ট স্বভাব। তবুও এ স্বভাব মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার আইনের বাহিরে হওয়া কাম্য নয়। কেননা, ইসলাম এমন একটি ধর্মের নাম যেখানে সকল বিধানের রয়েছে পুরোপুরি দিক নির্দেশনা। তা থেকে বিন্দুমাত্র কমানো কিংবা বাড়ানো উভয়ে মারাত্মক গোনাহের কাজ। সেজন্যই কুকুর পালনের সৌখিনতা হতে হবে কুরআন-সুন্নাহর মতানুযায়ী। তাই শখ করে ঘরে কুকুর রাখা, মানুষের চেয়ে কুকুরের যত্ন বেশি নেওয়া, কুকুরের সঙ্গে মানবীয় সম্পর্ক স্থাপন করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শিকার করা বা গবাদি পশু পাহারা অথবা শস্যক্ষেত্র পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর লালন-পালন করে। প্রতিদিন ওই ব্যক্তির আমল থেকে দুই কিরাত (এক কিরাত সমান ওহুদ পাহাড় সমপরিমান নেকি) পরিমাণ নেকি হ্রাস পেতে থাকে।’ (সহিহ মুসলিম : ১৫৭৫, সহিহ তিরমিযি : ১৪৮৭)

অন্যত্র বলা হয়েছে যে, ঘরে কুকুর রেখে লালন-পালন করা ইসলাম কঠোর নিষেধ করেছে। কেননা, কেবল শখ করে ঘরে কুকুর রাখা ইসলামি শরিয়ত সম্মত নয়। আর এ জন্যই হাদিস শরীফে এসেছে, ‘যে ঘরে কুকুর আছে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতারা প্রবেশ করেন না।’ (সহিহ বোখারি শরিফ : ৫৫২৫)

তবে এ প্রাণীটি নিয়ে ইসলামে একাধিক হাদিস বর্ণিত আছে। যা অধিকাংশ হাদীসেই কুকুর পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু উদ্দেশ্যে কুকুর পালনে বৈধতা দেয় ইসলাম, আর তা হলো: ১. শিকারের উদ্দেশ্যে। ২. ফসল হেফাজতের উদ্দেশ্যে। ৩. পাহারাদারির জন্য। ৪. ছাগল-ভেড়া ইত্যাদির হেফাজতের লক্ষ্যে। ৫. ঘরবাড়ি, দোকান ও অফিস পাহারার জন্য। ৬. অপরাধের উৎস সন্ধান ও অপরাধীকে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে কুকুর লালন-পালন করা বৈধ। (ফতোয়াতে মাহমুদিয়া : ১৮/২৬৪, ফতোয়ায়ে আলমগিরি : ৪/২৪২)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়