শিরোনাম
◈ রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ জনগণের নিরাপত্তা ও মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা ◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল
আপডেট : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুকুর পালনের শরয়ি নির্দেশনা

আমিন মুনশি : সৌখিনতা মানব সমাজের একটি সৃষ্ট স্বভাব। তবুও এ স্বভাব মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার আইনের বাহিরে হওয়া কাম্য নয়। কেননা, ইসলাম এমন একটি ধর্মের নাম যেখানে সকল বিধানের রয়েছে পুরোপুরি দিক নির্দেশনা। তা থেকে বিন্দুমাত্র কমানো কিংবা বাড়ানো উভয়ে মারাত্মক গোনাহের কাজ। সেজন্যই কুকুর পালনের সৌখিনতা হতে হবে কুরআন-সুন্নাহর মতানুযায়ী। তাই শখ করে ঘরে কুকুর রাখা, মানুষের চেয়ে কুকুরের যত্ন বেশি নেওয়া, কুকুরের সঙ্গে মানবীয় সম্পর্ক স্থাপন করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শিকার করা বা গবাদি পশু পাহারা অথবা শস্যক্ষেত্র পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর লালন-পালন করে। প্রতিদিন ওই ব্যক্তির আমল থেকে দুই কিরাত (এক কিরাত সমান ওহুদ পাহাড় সমপরিমান নেকি) পরিমাণ নেকি হ্রাস পেতে থাকে।’ (সহিহ মুসলিম : ১৫৭৫, সহিহ তিরমিযি : ১৪৮৭)

অন্যত্র বলা হয়েছে যে, ঘরে কুকুর রেখে লালন-পালন করা ইসলাম কঠোর নিষেধ করেছে। কেননা, কেবল শখ করে ঘরে কুকুর রাখা ইসলামি শরিয়ত সম্মত নয়। আর এ জন্যই হাদিস শরীফে এসেছে, ‘যে ঘরে কুকুর আছে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতারা প্রবেশ করেন না।’ (সহিহ বোখারি শরিফ : ৫৫২৫)

তবে এ প্রাণীটি নিয়ে ইসলামে একাধিক হাদিস বর্ণিত আছে। যা অধিকাংশ হাদীসেই কুকুর পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু উদ্দেশ্যে কুকুর পালনে বৈধতা দেয় ইসলাম, আর তা হলো: ১. শিকারের উদ্দেশ্যে। ২. ফসল হেফাজতের উদ্দেশ্যে। ৩. পাহারাদারির জন্য। ৪. ছাগল-ভেড়া ইত্যাদির হেফাজতের লক্ষ্যে। ৫. ঘরবাড়ি, দোকান ও অফিস পাহারার জন্য। ৬. অপরাধের উৎস সন্ধান ও অপরাধীকে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে কুকুর লালন-পালন করা বৈধ। (ফতোয়াতে মাহমুদিয়া : ১৮/২৬৪, ফতোয়ায়ে আলমগিরি : ৪/২৪২)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়