শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৯ জুন, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনো শিল্পকে সহায়তা করতে আমার আপত্তি নেই, যদি বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে

ফিরোজ আহমেদ : কোনো শিল্পকে সহায়তা করতে আমার আপত্তি নেই, বিশেষ করে তা যদি বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে। যদিও সেই যুক্তিতে আদমজীকে পাটকলকে আজীবন সাহায্য করে যাওয়া উচিত ছিলো, কেন না একা আদমজী শুধু ৩০ হাজার শ্রমিক না, কোটি কোটি কৃষককেও সাহায্য করতো। পোশাক শিল্পের মতো তা কেবল সেলাই কারখানা ছিলো না, ছিলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুসম্পূর্ণ একটা উৎপাদন ক্ষেত্র। সে অন্য আলাপ। কিন্তু কোনো শিল্পে নগদ প্রণোদনার জন্য কিছু প্রাথমিক শর্ত থাকা উচিত। এর মাঝে প্রথমটা হওয়া উচিত এই : এই প্রণোদনা যেহেতু জনগণের পকেট থেকে দেয়া হবে, তাই জনগণের অধিকার আছে সেই খাতের বিস্তারিত জানার।

পোশাক খাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো উৎপাদনী প্রক্রিয়ার হিসাব স্বচ্ছ করতে হবে। চেয়ারম্যান, ম্যানিজং ডিরেক্টরসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বেতন কতো হতে পারে, তা নির্ধারণ করতে হবে, কেননা কর্পোরেট প্রতারণার বড় অংশটা এখান থেকেই হয়। এরপর কতোভাগ মুনাফার হার হলে শিল্প টিকবে, তা নির্ধারণ করতে হবে। এর মুনাফা কতোটুকু দেশে বিনিয়োজিত হয়, কতোখানি বিদেশে পাঠানো হয়, সেটা দেখতে হবে। এবং তারপর ঠিক করতে হবে এইখাতে প্রণোদনা দরকার, নাকি শ্রমিকদের মজুরি আরও বাড়িয়েও এইখাত থেকে উচ্চহারে কর নেয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চল্লিশ বছরের ‘শিশুশিল্প’ সেজে ভর্তুকি খাবার এই মনস্তত্ব থেকে এই শিশুরা যদি বের হয়ে আসতে না পারে, জনগণকে তাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে হবে।

পোশাকশিল্পকে সাহায্য করতে তাই আমাদের কোনো আপত্তি নাই, কিন্তু একটাই শর্ত: একটা জাতীয় কমিশন করে পোশাকশিল্পের সবগুলো হিসাবপাতি পরিষ্কার জনগণের সামনে তুলে ধরা হোক। তার ভিত্তিতে ঠিক করা হোক, তাদের ভর্তুকি ও প্রণোদনা দরকার, নাকি পোশাক প্রমিকদের মজুরি আরও বৃদ্ধি করে এইখাত থেকে অন্যান্য খাতের মতোই যথাযথ কর আদায় শুরু করা দরকার। ফেসবুক থেকে

 

 

 

  • সর্বশেষ