শিরোনাম
◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও) ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান ◈ অবশেষে হাইকোর্টে জামিন পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন ◈ তথ্য গোপনে ছাড় নেই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ ◈ ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন সর্বমিত্র চাকমা

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর
আপডেট : ১৭ জুন, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাঙচিল আসবে ২৪ জুলাই, প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে ২৮ তারিখ আকাশে উড়বে

তৌহিদ এলাহী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দ করা গাঙচিলের দেশে আসার সময় হয়েছে।মার্কিন মুলুকের সিয়াটল থেকে গাঙচিল ডানা মেলবে আসছে জুলাইয়ের ২৩ তারিখ, বোয়িং কোম্পানির এই ড্রিমলাইনার বিমানটি পরদিন ঢাকায় অবতরণ করবে।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চারটি ড্রিমলাইনারের নাম রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গাঙচিলের অন্য তিন সঙ্গীর নাম  আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস।।২৭১ সিটের সুপরিসর্ এই বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ বাংলাদেশের তৃতীয় ড্রিমলাইনার ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২০০৮ সালে ১০টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছিলো বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে । সব মিলিয়ে দাম পড়েছে  ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার । ড্রিমলাইনার গাঙচিল ৯ নাম্বার, সেপ্টেম্বরে আসবে চুক্তির শেষ বিমানটি, সেটি হবে বহরের চতুর্থ বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার।

বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রনালয়ের সচিব মহিবুল হক গণমাধ্যমকে জানান, উড়োজাহাজটি এসে গেলে বিমানের নতুন রুট চালু করার পরিকল্পনা তাদের।বর্তমান রুটগুলোতেও যে বিমান সংকট রয়েছে তা অনেকটা কমে আসবে।

বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন বোয়িং  ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’-এ ২৭১টি আসন রয়েছে  । এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি, ইকোনমি ২৪৭টি। বিজনেস ক্লাসের আসন ১৮০ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড করা সম্ভব। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম।

ইঞ্জিন বানিয়েছে জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হবে ইলেকট্রিক ফ্লাইট সিস্টেমে। কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এই বিমান ওজনে হালকা। ভূমি থেকে বিমানটির উচ্চতা ৫৬ ফুট। দু’টি পাখার আয়তন ১৯৭ ফুট। এর ককপিট থেকে টেল (লেজ) পর্যস্ত ২৩ লাখ যন্ত্রাংশ রয়েছে। প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিকের এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। যাত্রা পথে সরাসরি ৯টি টিভি চ্যানেল দেখা যাবে। একই সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে ১শ’টির বেশি ক্লাসিক থেকে ব্লকব্লাস্টার চলচ্চিত্র। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারে যাত্রীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য রয়েছে ওয়াইফাই সুবিধা। এছাড়া আকাশে উড্ডয়নের সময় ফোন কল করতে পারবেন যাত্রীরা।

সম্পাদনা : সালেহ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়