শিরোনাম
◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট, তবু লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ ◈ দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী বোমা হামলা: নিউইয়র্ক টাইমস ◈ জ্বালানি সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা ◈ চলতি আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি! ◈ গুম প্রতিরোধ আইন অনুমোদন, মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নক্ষত্রের কাছে নতুন গ্রহের সন্ধান

নিউজ ডেস্ক : নক্ষত্রের খুব কাছে- প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় টিকে থাকতে সক্ষম এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বিপজ্জনক এ অঞ্চলে কোন গ্রহের উপস্থিতি সম্ভব না বলেই ধারণা করা হতো এতদিন। তবে এনজিটিএস- ফোরবি নামের এই গ্রহটি আবিষ্কারের পর নড়ে চড়ে বসেছেন বিজ্ঞানীরা। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি

৯২০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত গ্রহটি আকারে পৃথিবীর চাইতে তিন গুণ বড়। ১৪.৭ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ৩৬৫ দিন। কিন্তু নতুন এই গ্রহটি মাত্র দেড় দিনে তার নিজস্ব নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেইলিস বলেন, মাত্র দেড় দিনে একটি গ্রহ একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। বুঝতে পারছেন এটি নক্ষত্রের কত কাছে অবস্থিত। এ ধরনের কোন গ্রহ আমরা আগে দেখিনি। এই প্রতিকূল পরিবেশে এটি কিভাবে টিকে আছে তা আমাদের ধারণার বাইরে।

নক্ষত্রের খুব কাছের এলাকাকে বলা হয় নেপচুনিয়ান ডেজার্ট। প্রায় ১ হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং প্রচণ্ড বিকিরণের কারণে এ অঞ্চলে কোন গ্রহই টিকতে পারার কথা নয়। তবে বিজ্ঞানীদের সব ধারণা বদলে দিয়েছে নতুন আবিষ্কার হওয়া এই গ্রহ।

নেক্সট জেনারেশন ট্রানজিট সার্ভে টেলিস্কোপের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়ায় গ্রহটির নাম দেয়া হয় এনজিটিএস-ফোরবি। চিলির আতাকামা মরুভূমি থেকে এটি দেখতে পান ইউরোপিয়ান সাউদার্ন ওবজার্ভেটরি, ইএসও-র বিজ্ঞানীরা।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেইলিস বলেন, "আমরা সবসময় মহাকাশের গ্রহ নক্ষত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করি। হুট করে কোন গ্রহ বা নক্ষত্র আলো ছড়ালে সেটি আমাদের টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। এই গ্রহটি টেলিস্কোপে খুবই সামান্য সিগন্যাল দিচ্ছিল। এটার আকার বৃহস্পতি গ্রহের চাইতে খুব ছোট আর নেপচুনের প্রায় সমান।"

গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডলযুক্ত এই গ্রহ, কি করে নিজ নক্ষত্রের এত কাছে পৌঁছলো তা ভেবে কুল পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। একে অবাস্তব গ্রহ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়