শিরোনাম
◈ রাখাইনে সংঘর্ষে উদ্বেগ, নতুন রোহিঙ্গা ঢল ঠেকাতে সীমান্তে কড়াকড়ি ◈ প্রেমের সম্পর্ক থেকে মানবপাচার, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন কৌশল ◈ প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন, ফিরছে সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট ◈ মস্কোকে 'বাঁচাতে' ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে, বেতন দেড় লাখ রুবল ◈ বাউফলে হস্তান্তরের আগেই একাধিক প্রকল্পে ফাটল, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন; নেপথ্যে কমিশন বাণিজ্য! ◈ মজুত বাড়াতে ৭৬৭২ কোটি টাকার ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার ◈ অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ◈ ঢাকাকে আধুনিক নগরীতে রূপ দিতে সাংহাই মডেলে এগোচ্ছে সরকার ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা উজ্জ্বল, তবে চাই সংস্কার: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে যাচ্ছে এগিয়ে বাংলাদেশের নারী

হ্যাপি আক্তার : শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলেছেন বাংলাদেশের নারীরাও। দুই দশক আগে ৫ জন নারী সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বহরে এখন শুধু সেনাবাহিনীরই আছেন, তিন শতাধিক নারী। যদিও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এই নারীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় অনেক কম। তাই ভবিষ্যতে এই সংখ্যা মোট সদস্যের অন্তত ২৫ ভাগ করতে চায় জাতিসংঘ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

৮০ দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে নাম লেখালেও, নারীদের অংশগ্রহণে সময় লাগে আরো এক যুগ। ২০০০ সালে ৫ জনের একটি নারী প্রতিনিধিদল প্রথমবারের মতো শান্তির বার্তা নিয়ে যায় পূর্ব তিমুরে। তার এক দশক পর ২০১০ সালে কঙ্গো মিশনে যান পুলিশের ৮১ জন নারী সদস্য।

গেলো ২ দশকে বিভিন্ন দেশে মিশন করেছেন দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি নারী। বাহিনী বিচারে এ তালিকায় ২য় সেনাবাহিনী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত আছেন বাহিনীর ৬৮ জন নারী অফিসার। পুরুষদের পাশপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখছেন তারাও।

কেবল দাপ্তরিক কিংবা সামাজিক কাজ নয় নেতৃত্বের গুণাবলীতেও উজ্জল বাংলাদেশের নারীরা। এ যাবৎ জাতিসংঘে ৩টি মেডিকেল কোরের কন্টিনজেন্ট কমান্ডারও ছিলেন নারী সেনা কর্মকর্তা। সদ্য মিশন শেষ করা মেজর সানিয়া, মেজর রিফাত করেন, শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। স্বপ্ন দেখেন জাতিসংঘ মিশনের উচ্চপদগুলোতেও একদিন আলো ছড়াবেন বাংলার নারীরা।

এতো দিন সেনাবাহিনীর নারী অফিসারদেরই কেবল মিশনের সুযোগ থাকলেও, সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নারী সৈনিকরাও। প্রথম ধাপে ৩১১ জনকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন মিশনে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার আশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শান্তিরক্ষা মিশনে ২৫ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিতে জাতিসংঘের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সফল হবে বাংলাদেশ। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়