শিরোনাম
◈ জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭৮ জনের ২৪৯ জনই মুক্ত, যাচাই চলছে ২৯ জনের ◈ আপনি যার কথা বললেন, অসংলগ্ন এবং ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলা সম্ভবত তাঁর অভ্যাস: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ময়মনসিংহে ড্রামে লাশ: আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল, অটোরিকশা মালিককে হত্যার অভিযোগে শামীম গ্রেপ্তার ◈ রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে যাচ্ছে এগিয়ে বাংলাদেশের নারী

হ্যাপি আক্তার : শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলেছেন বাংলাদেশের নারীরাও। দুই দশক আগে ৫ জন নারী সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বহরে এখন শুধু সেনাবাহিনীরই আছেন, তিন শতাধিক নারী। যদিও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এই নারীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় অনেক কম। তাই ভবিষ্যতে এই সংখ্যা মোট সদস্যের অন্তত ২৫ ভাগ করতে চায় জাতিসংঘ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

৮০ দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে নাম লেখালেও, নারীদের অংশগ্রহণে সময় লাগে আরো এক যুগ। ২০০০ সালে ৫ জনের একটি নারী প্রতিনিধিদল প্রথমবারের মতো শান্তির বার্তা নিয়ে যায় পূর্ব তিমুরে। তার এক দশক পর ২০১০ সালে কঙ্গো মিশনে যান পুলিশের ৮১ জন নারী সদস্য।

গেলো ২ দশকে বিভিন্ন দেশে মিশন করেছেন দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি নারী। বাহিনী বিচারে এ তালিকায় ২য় সেনাবাহিনী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত আছেন বাহিনীর ৬৮ জন নারী অফিসার। পুরুষদের পাশপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখছেন তারাও।

কেবল দাপ্তরিক কিংবা সামাজিক কাজ নয় নেতৃত্বের গুণাবলীতেও উজ্জল বাংলাদেশের নারীরা। এ যাবৎ জাতিসংঘে ৩টি মেডিকেল কোরের কন্টিনজেন্ট কমান্ডারও ছিলেন নারী সেনা কর্মকর্তা। সদ্য মিশন শেষ করা মেজর সানিয়া, মেজর রিফাত করেন, শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। স্বপ্ন দেখেন জাতিসংঘ মিশনের উচ্চপদগুলোতেও একদিন আলো ছড়াবেন বাংলার নারীরা।

এতো দিন সেনাবাহিনীর নারী অফিসারদেরই কেবল মিশনের সুযোগ থাকলেও, সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নারী সৈনিকরাও। প্রথম ধাপে ৩১১ জনকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন মিশনে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার আশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শান্তিরক্ষা মিশনে ২৫ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিতে জাতিসংঘের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সফল হবে বাংলাদেশ। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

  • সর্বশেষ