শিরোনাম
◈ প‌রিচালক নাজমুল বি‌সি‌বি থে‌কে পদত‌্যাগ না করা পর্যন্ত  মাঠে নামবেন না ক্রিকেটাররা: সংবাদ স‌ম্মেল‌নে কোয়াব সভাপ‌তি ◈ সাফ ফুটসাল চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শি‌পে বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে পাত্তাই পে‌লো না ভারত ◈ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির  ◈ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিত করলো বিসিবি ◈ ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা, ৫০ আসন ফাঁকা রেখেই সমঝোতা ১০ দলের! ◈ বিপিএলের ম্যাচ দেখতে না পারায় মিরপুর স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাংচুর (ভিডিও) ◈ দাবি আদায়ে বারবার সড়ক অবরোধের প্রবণতা, দায় কার? ◈ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিয়োগপ্রত্যাশী শিক্ষকদের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনঃতদন্তের নির্দেশ ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন 

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে যাচ্ছে এগিয়ে বাংলাদেশের নারী

হ্যাপি আক্তার : শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলেছেন বাংলাদেশের নারীরাও। দুই দশক আগে ৫ জন নারী সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বহরে এখন শুধু সেনাবাহিনীরই আছেন, তিন শতাধিক নারী। যদিও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এই নারীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় অনেক কম। তাই ভবিষ্যতে এই সংখ্যা মোট সদস্যের অন্তত ২৫ ভাগ করতে চায় জাতিসংঘ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

৮০ দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে নাম লেখালেও, নারীদের অংশগ্রহণে সময় লাগে আরো এক যুগ। ২০০০ সালে ৫ জনের একটি নারী প্রতিনিধিদল প্রথমবারের মতো শান্তির বার্তা নিয়ে যায় পূর্ব তিমুরে। তার এক দশক পর ২০১০ সালে কঙ্গো মিশনে যান পুলিশের ৮১ জন নারী সদস্য।

গেলো ২ দশকে বিভিন্ন দেশে মিশন করেছেন দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি নারী। বাহিনী বিচারে এ তালিকায় ২য় সেনাবাহিনী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত আছেন বাহিনীর ৬৮ জন নারী অফিসার। পুরুষদের পাশপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখছেন তারাও।

কেবল দাপ্তরিক কিংবা সামাজিক কাজ নয় নেতৃত্বের গুণাবলীতেও উজ্জল বাংলাদেশের নারীরা। এ যাবৎ জাতিসংঘে ৩টি মেডিকেল কোরের কন্টিনজেন্ট কমান্ডারও ছিলেন নারী সেনা কর্মকর্তা। সদ্য মিশন শেষ করা মেজর সানিয়া, মেজর রিফাত করেন, শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। স্বপ্ন দেখেন জাতিসংঘ মিশনের উচ্চপদগুলোতেও একদিন আলো ছড়াবেন বাংলার নারীরা।

এতো দিন সেনাবাহিনীর নারী অফিসারদেরই কেবল মিশনের সুযোগ থাকলেও, সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নারী সৈনিকরাও। প্রথম ধাপে ৩১১ জনকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন মিশনে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার আশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শান্তিরক্ষা মিশনে ২৫ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিতে জাতিসংঘের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সফল হবে বাংলাদেশ। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়