শিরোনাম
◈ ব্রিকস সম্মেলনের আগে দক্ষিণ দিল্লির বস্তি ঢেকে দেওয়ায় ক্ষোভ, উন্নয়ন নয় ‘আড়াল’ করার অভিযোগ: ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা ◈ বড় সুখবর কিডনি রোগীদের জন্য, সব জেলা-উপজেলায় মিলবে ডায়ালাইসিস সেবা ◈ বৈশ্বিক দুর্যোগে সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হতে পারে অস্ট্রেলিয়া, যে কারণে এগিয়ে নিউজিল্যান্ডও ◈ বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কর্ণফুলীতে মাইক্রোবাস-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮ ◈ শেষ দুই মি‌নি‌টে ২ গোল ক‌রে জিত‌লো আর্সেনাল ◈ এমবাপ্পের জোড়া গোল, লা লিগায় জ‌য়ে ফির‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ আদানির বিদ্যুৎ এখন গলার কাঁটা ◈ সংসদে গঠনমূলক আলোচনা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের প্রশংসা ◈ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের টার্গেট করে সক্রিয় শতাধিক অপরাধী চক্র, সিসিটিভিতে নজরদারি জোরদার ◈ লিভারপুল আবার পয়েন্ট হারাল, এবার হোঁচট খেলো চেলসিও

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে যাচ্ছে এগিয়ে বাংলাদেশের নারী

হ্যাপি আক্তার : শান্তিরক্ষা মিশনে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলেছেন বাংলাদেশের নারীরাও। দুই দশক আগে ৫ জন নারী সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বহরে এখন শুধু সেনাবাহিনীরই আছেন, তিন শতাধিক নারী। যদিও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এই নারীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় অনেক কম। তাই ভবিষ্যতে এই সংখ্যা মোট সদস্যের অন্তত ২৫ ভাগ করতে চায় জাতিসংঘ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

৮০ দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে নাম লেখালেও, নারীদের অংশগ্রহণে সময় লাগে আরো এক যুগ। ২০০০ সালে ৫ জনের একটি নারী প্রতিনিধিদল প্রথমবারের মতো শান্তির বার্তা নিয়ে যায় পূর্ব তিমুরে। তার এক দশক পর ২০১০ সালে কঙ্গো মিশনে যান পুলিশের ৮১ জন নারী সদস্য।

গেলো ২ দশকে বিভিন্ন দেশে মিশন করেছেন দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি নারী। বাহিনী বিচারে এ তালিকায় ২য় সেনাবাহিনী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত আছেন বাহিনীর ৬৮ জন নারী অফিসার। পুরুষদের পাশপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখছেন তারাও।

কেবল দাপ্তরিক কিংবা সামাজিক কাজ নয় নেতৃত্বের গুণাবলীতেও উজ্জল বাংলাদেশের নারীরা। এ যাবৎ জাতিসংঘে ৩টি মেডিকেল কোরের কন্টিনজেন্ট কমান্ডারও ছিলেন নারী সেনা কর্মকর্তা। সদ্য মিশন শেষ করা মেজর সানিয়া, মেজর রিফাত করেন, শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। স্বপ্ন দেখেন জাতিসংঘ মিশনের উচ্চপদগুলোতেও একদিন আলো ছড়াবেন বাংলার নারীরা।

এতো দিন সেনাবাহিনীর নারী অফিসারদেরই কেবল মিশনের সুযোগ থাকলেও, সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নারী সৈনিকরাও। প্রথম ধাপে ৩১১ জনকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন মিশনে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার আশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শান্তিরক্ষা মিশনে ২৫ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিতে জাতিসংঘের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সফল হবে বাংলাদেশ। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

  • সর্বশেষ