শিরোনাম
◈ তদবির করলে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ◈ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনি উদ্যোগ অব্যাহত, প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সাক্ষাৎ ◈ বিচার বিভাগে বড় রদবদল, একযোগে বদলি ৯৯ বিচারক ◈ নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান ◈ গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও কাটছে না সংকট ◈ বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস এভিয়েশন ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে অন্ধকারে বাংলাদেশ : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের উত্তেজনা, মুখোমুখি জুবায়ের ও সাদপন্থিরা

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ০৬:১৩ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ০৬:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গোয়েন্দা নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভিভিআইপি ফ্লাইটে কালো তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাকে মনোনয়নের অভিযোগ

হ্যাপি আক্তার : রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ফ্লাইটে গোয়েন্দা সংস্থা নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশনা উপেক্ষিত হচ্ছে বিমান বাংলা এয়ারলাইন্সে। গোয়েন্দা সংস্থা থাকার পরও নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটে বিমানের কালো তালিকাভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োজিত করা হচ্ছে। তবে সবশেষ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিদেশীয় সফরের ফ্লাইটে গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কারণে যেতে দেয়া হয়নি বিমানের গ্রাহক সেবা পরিচালক আতিক সোবাহানকে। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই অনুসরণ করা হয়। ডিবিসি নিউজ।

কয়েক বছর ধরেই ভিভিআইপি ফ্লাইট ও মুভমেন্টে গোয়েন্দা সংস্থার নিরাপত্তাজনিত আপত্তির তালিকায় ছিলেন বিমানের গ্রাহক সেবা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আতিক সোবহানসহ কয়েকজন কর্মকর্তা।
এরপরও আতিক সোবহানকে ২৮ মে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ত্রিদেশীয় সফরের ফ্লাইটের জন্য মনোনীত করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কারণে যেতে পারেননি তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে নিজে না গিয়ে গ্রাহক সেবা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আতিক সোবহানকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেন বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হোসেন জামিল।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয় সচিব মহিবুল হক বলেন, যখনই একটা ভিভিআইপি ফ্লাইট যায়, প্রতিবারই গোয়েন্দা সংস্থার ক্লিয়ারেন্স নেয়া হয়। তবে এ ক্ষেত্রে দুটো সংস্থার একটা

সংস্থা ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে আরেকটা সংস্থা ক্লিয়ারেন্স দেয়নি। ক্লিয়ারেন্স যেহেতু দেয়নি, তাই তিনি ফ্লাইটে যাননি।
মহিবুল হক আরো বলেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক’সহ কারও আন্তরিকতার অভাব নেই। এখন এমন যদি করা হত যে তাকে বিমানে ওঠানো হয়েছে, আবার নামিয়ে আনা হয়েছে, তাহলে একটা কথা ছিলো। কিন্তু এমন তো কোনো ঘটনা ঘটেনি। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

  • সর্বশেষ