শিরোনাম
◈ গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, সর্বোচ্চ ১১ হাজার টাকা ও ১৫০ টাকা মোবাইল ভাতা ঘোষণা ◈ বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ ১১ হাজার ৩৪৩ কোটি ডলার, ১০ বছরে বেড়েছে তিন গুণ: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ◈ ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে না দেওয়াই ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ৪০ কোটি টাকা না দিলে দলে থাকবেন না! আইপিএলের তারকাদের অবিশ্বাস্য দাবি ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে মানতে হবে ইরানের ৭ শর্ত: বাকেরি ◈ বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিনতাই, আটক ৪ নারী ◈ ঢাকায় এক রাতে ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন ◈ যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসায় সরকারি সহায়তা নিলেই ভবিষ্যতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি: মার্কিন দূতাবাস ◈ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?  ◈ শেষ হচ্ছে পিসিবির এনওসি নাটক! লিগের সঙ্গে করছে সমঝোতা!

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিজেপির দ্বিতীয় মেয়াদেই তিস্তাসহ দ্বিপাক্ষিক অনেক সমস্যার সমাধান হবে, বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন

ফাতেমা ইসলাম : তিস্তাসহ অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টন চুক্তি বিজেপির দ্বিতীয় মেয়াদেই বাস্তবায়িত হবে। সময় টিভিকে এ কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আশা প্রকাশ করেন, মোদী সরকারের নতুন মেয়াদেই দু'দেশের অন্যান্য ঝুলে থাকা সমস্যারও সমাধান হবে। এদিকে, বিজেপি সরকার আবারও ক্ষমতায় আসায় নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরাও। আগামীতে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়বে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ থাকছে বলেও মত তাদের। সময় টিভি

২০১৪ সালে ভারতে নরেন্দ্র মোদী সরকার আসার পর দুদেশের সম্পর্কন্নোয়নে ছিটমহল বিনিময় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া গত ৫ বছরে ভারতকে সড়ক পথে ট্রানজিট দেয়া এবং চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের চুক্তি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে সড়ক, রেল ও বন্দর পরিকাঠামো। স্বাস্থ্য খাতেও বেড়েছে ভারতীয় অনুদান।

এ অবস্থায় দেশটিতে মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট আবারও ক্ষমতায় আসা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এবার গতি পাবে দু'দেশের মধ্যে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর তারেক শামসুর রেহমান বলেন, তিস্তার পানিবন্টন চুক্তিটা হোক। এই চুক্তিটা ঝুলে আছে। যেহেতু বিজেপি জোট নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে তাই বাংলাদেশের প্রত্যাশা থাকবে তিস্তার পানি বণ্টন বা অন্যান্য যেসব চুক্তি ঝুলে আছে তা দ্রুত সম্পন্ন করা।

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে রপ্তানি বাড়াতেও কাজ করতে হবে ঢাকাকে।

তিনি বলেন, এনআরসির মাধ্যমে তারা মুসলিমদের বিতাড়িত করতে চায়। বিশেষ করে, অমিত শাহের মতো লোকের যে মুসলিমবিরোধী বক্তব্য, এটা একধরনের রাজনৈতিক চাল, শুধু বলার জন্য মোদী বলেছেন বাস্তবে মোদী এটা করবেন না।

এনডিএ জোট ক্ষমতায় আসায় আশাবাদী পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিস্তা ইস্যুর এবার সুরাহা হবে বলে মনে করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমি বিশ্বাস করি, যেহেতু মোদী সরকারে এসেছেন, তিস্তা সমস্যা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও ভারত সরকারের আরও সহযোগিতা মিলবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ