শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০১৯, ০৪:৪০ সকাল
আপডেট : ২২ মে, ২০১৯, ০৪:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নারী নির্যাতন মামলাগুলোর দ্রুতবিচার করতে হবে, দাবি জানালেন মালেকা বানু

জুয়েল খান : সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এবং নারী হয়রানির বিষয় সামনে এসেছে। বিশেষ করে কয়েকটা ঘটনা খুবই মর্মান্তিক ঘটেছে। আগুন দিয়ে নারীকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন নারীবাদী সংগঠন গুলো সভা সেমিনার করেই চলেছেন কিন্তু এখনও এই বিষয়ের কোনো সমাধান হয়নি। নারীর প্রতি সহিংসা বন্ধ হয়নি। আসলে আইন করে নারী নির্যাতন বন্ধ করা যাবে না।

আইনের প্রয়োগ করতে হবে। আইনের পাশাপাশি মানুষকে ধর্মীয় এবং সামাজিকভাবে মূল্যবোধের উন্নয়ন করতে হবে। আমার এখন সভ্য সমাজে বসবাস করি। আধুনিক এবং সভ্যতার এই দশকে এসে একজন নারী যদি একজন পুরুষের কাছে নিরাপত্তা অনুভব না করে তাহলে আমাদের এই আধুনিকতা, এই সভ্যতার আসলে কী মর্ম থাকলো। নারী পুরুষের সহযোগী। নারী পুরুষ মিলে সমাজ গঠন করবে এবং একে অন্যকে সহযোগীতা করবে তাহলেই সভ্যসমাজ গঠন করা সম্ভব বলে মনে করেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।

তিনি বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রত্যেকটা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সাথে কারো বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনে অভিযোগ প্রমাণ হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে এই শাস্তি দেখে কেই যাতে নারীর দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকাতে সাহস না পায়। এছাড়া ধর্ষণ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় কোনো নারী যাতে আবার যন্ত্রণা না পায় সেই বিষয়টা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে যে ব্যক্তি ধর্ষণ বা সহিংসতার শিকার হয়েছেন তিনি অপরাধী নয়। যে ধর্ষণ করেছে সে অপরাধী তাই ধর্ষককে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে তবে নারীর ক্ষেত্রে পরিবেশের বিষয়টা বিবেচনায় রাখতে হবে বলে মনে করেন এই নারী অধিকার কর্মী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়