শিরোনাম
◈ ‘ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যে বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন মাহদী আমিন ◈ মানুষ বনাম রোবটের প্রথম মুখোমুখি লড়াই, শেষ পর্যন্ত জিতল কে দেখুন ভিডিও ◈ স্বল্প ট্রিপ, সীমিত রুট ও প্রচারের ঘাটতিতে যাত্রী পাচ্ছে না পিংক বাস, প্রতিদিন ৫০–৬০ হাজার টাকা লোকসান বিআরটিসির ◈ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লড়ছেন বাংলাদেশের এক তৈরি পোশাক কারখানা! ◈ জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের আহ্বান: বৈশ্বিক সংকট সমাধানে মানুষ, যুবসমাজ ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে তারেক রহমানের ব্যস্ত সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি ২ দিন, কারা পাবেন আর কারা পাবেন না ◈ এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকে‌টে পদকহীন বাংলাদেশ, ব্রোঞ্জ জিতল পাকিস্তান ◈ নেশনস লিগ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা ইংল্যান্ডের, চোটে ছিটকে পাঁচ তারকা

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০১৯, ০১:৫০ রাত
আপডেট : ২২ মে, ২০১৯, ০১:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মার্কিন মুলুকে জোর চর্চা, ২০২০ সালে কে হবেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী?

শেখ নাঈমা জাবীন : গত বছর লন্ডনে ঝটিকা সফরকালে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ফের অংশ নিতে চান। স্বভাববিরুদ্ধ বিনয়ের সঙ্গে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, ‘সবাই চায় আমি দাঁড়াই। স্বাস্থ্য তার মধ্যে অন্যতম।’ অধিকাংশ বিশ্লেষকের একমত, নাটকীয় কোনও দুর্ঘটনা না ঘটলে আগামী নির্বাচনে ট্রাম্পই হবেন তাঁর দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। সিনেটর জেফ ফ্লেকের মতো রিপাবলিকান পার্টির কোনও কোনও ট্রাম্পবিরোধী রাজনীতিক ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন। তবে দলের সমর্থকদের দশজনের ন’জনই ট্রাম্পের কাজে সন্তুষ্ট। বর্তমান

অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে এখনই পর্যন্ত মোট ২১ জন বাছাইপর্বে নিজেদের নাম ঘোষণা করেছেন। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে সকলের চেয়ে এগিয়ে ৭৬ বছরের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দলে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী স্বঘোষিত সমাজতন্ত্রী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তাঁর প্রতি ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের সমর্থন রয়েছে ২১ শতাংশ। এই দু’জন ছাড়া অন্য কারও ৭ থেকে ৮ শতাংশের বেশি জনসমর্থন নেই।
ডেমোক্র্যাটদের মূল লক্ষ্য যেভাবেই হোক ট্রাম্পকে পরাজিত করা। আগামী বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি আইওয়ায় প্রথম বাছাইপর্বের নির্বাচন হবে। অতীতে দেখা গিয়েছে, প্রথমে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছেন অনেকে। তবে বাইডেন ও স্যান্ডার্সের মধ্যেই ডেমোক্র্যাটিক বাছাইপর্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মহিলা ও সংখ্যালগু ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রেখেছিলেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির যে ২১ জন প্রার্থী বাছাইপর্বে নিজেদের নাম ঘোষণা করেছেন, তাঁদের মধ্যে সিনেটর কমলা হ্যারিস ও সিনেটর কোরি বুকার এই যোগ্যতার মাপকাঠিতে উতরে যান। কেউ কেউ কমলা হ্যারিসকে জো বাইডেনের রানিংমেট হিসেবে দেখার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও আগাম ঘোষণা করে দিয়েছেন, ২০২০ সালে তাঁকে বাইডেনের সঙ্গেই লড়তে হবে।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ম্যাসাচুসেটস থেকে নির্বাচিত সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন (৬৯)। মহিলাদের কাছে তিনি পছন্দের। হিলারি প্রেসিডেন্ট হতে না পারায় যাঁরা মনঃকষ্টে রয়েছেন, ওয়ারেন তাঁদের জন্য সান্ত¡নার কারণ হতে পারেন।

তবে এই রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের একটি অজ্ঞাত উপাদান হবেন বারাক ওবামা। কে না জানে, ওবামাই এখনও ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ