শিরোনাম
◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ হরমুজ প্রণালী বি‌দে‌শি‌দের খেলার মাঠ নয়,যুক্তরা‌স্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরান সামরিক সদরদপ্তরের ◈ ডেঙ্গুর থাবায় চট্টগ্রাম, চার গুণ বেড়েছে রোগী ◈ সবুজ জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ টানতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার ◈ খামেনির শেষ বিদায়: তেহরানে জড়ো হচ্ছেন লাখো মানুষ, কফিন পৌঁছাল হত্যাস্থলে ◈ বাংলাদেশের আগে ভারত টেস্ট সি‌রিজ খেল‌তে শ্রীলঙ্কায় যা‌বে

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৩৯ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘাসফুল না পদ্ম, আগাম জানতে জ্যোতিষীতেই আস্থা ভারতের রাজনীতিকদের

নুর নাহার : ময়না বলো তুমি ঘাসফুল, নাকি পদ্ম? ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের আগে আপাতত এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। যার উত্তর খুঁজতে রাস্তার গণৎকারের তোতা-টিয়া-ময়নার খাঁচার সামনে উড়ে যাচ্ছে শ’য়ে শ’য়ে নোট। বাজি ধরেছেন বহু লোক। বাজিমাত হবে কি না, তার আন্দাজ পেতে অনেকেই বসছেন গণক টিয়ার সামনে। সংবাদ প্রতিদিন
সোমবার হাওড়া ব্রিজে হাজির বৈদ্যবাটির সুবিমল রায়। ভাগ্যে বিশ্বাস করেন। মনে করেন ভাগ্য বদলানো সম্ভব। তাঁর দল কত পাবে সেই সংখ্যা বলতে পারবে টিয়াই। আর তা জানতেই ট্রেনে চড়ে আসা হাওড়ায়। সঙ্গী আরও জন চারেক বন্ধু। পাঁচ হাজার টাকা বাজি ধরেছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

এক্সিট পোলের ফলাফলে মাথার চুল খাড়া। তাই স্থির থাকতে না পেরে একেবারে টিয়ার দুয়ারে তাঁরা। একটু যাঁরা বিত্তবান তাঁরা আবার ছুটছেন একেবারে জ্যোতিষঘরে। যদি কোনওভাবে বদলে দেওয়া যায় ভাগ্যটা। সামান্য কিছু তুকতাক করে কিছুটা আগে জেতা-হারাটা জেনে নেওয়া যায়। “কী করব, সারা বছর ধরে দলটা করি। টেনশন আর ধরে রাখতে পারছি না। আগে থেকে মোটামুটি একটু আভাস পেয়ে যাওয়া আর কি! আসলে এখানে যিনি রয়েছেন, তাঁর কথা আমার মিলে যায়। অগাধ ভরসা।” সোমবার উত্তর কলকাতার এক জ্যোতিষীর চেম্বার থেকে বেরনোর সময় বলছিলেন বিরোধী দলের এক অনুগামী।
নামের বিচারে ২৩ তারিখ কার শুভ, কার অশুভ, যাবতীয় বিষয়ই নিষ্ঠার সঙ্গে কম্পিউটার দেখছেন। অনেকেই সকালে উঠে কোন রঙের পোশাক পরলে ফলাফলটা নিজের অনুকূলে আসবে, তা-ও অনেকেই বিচার করে রেখেছেন প্রার্থীরা।
কলকাতার হাওড়ার ব্রিজে বসেন গণৎকার বলরাম শাস্ত্রী। বললেন, “সোমবার থেকে ব্যবসা রাতারাতি বেড়েছে। প্রচুর মানুষ আসছেন। কেউ আবারতাবিজ-কবজও নিচ্ছেন। সবাই অবশ্য একই জিনিস জানতে চাইছেন, কারা ক’টা পাবে! আর নিজের পছন্দের প্রার্থী জিতছে কিনা! টিয়া যা তুলছে সেটা হবেই বলছি না। তবু অনেকেই তো এসব মানেন।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়