শিরোনাম
◈ তিতাসে ৫৯২ কোটি টাকায় নতুন দুই গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা, দৈনিক মিলবে ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস ◈ মিয়ানমারের মাদক সাম্রাজ্যের ভয়ংকর থাবায় বাংলাদেশ ◈ অমিত শাহর যে আদেশের কারণে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ! ◈ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল : পূজা আর কার্নিভাল ঘিরে সৈকতে পর্যটকদের ঢল ◈ অভিষেক ম্যাচেই আলিস আল ইসলা‌মের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ ◈ সুন্দরবনের ৫ প্রজাতির মাছ ও ২ প্রজাতির চিংড়ির ডিএনএ সিকোয়েন্স যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে ◈ সাজেকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার: আইএসপিআর ◈ আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েও আফ্রিকার বহু দেশের পেছনে বাংলাদেশ ◈ ক্ষুধা মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রগতি, অবনতি ভারত-পাকিস্তানের: ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ◈ রুমিন ফারহানার নামে ছড়ানো ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে দিলেন ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৩৯ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘাসফুল না পদ্ম, আগাম জানতে জ্যোতিষীতেই আস্থা ভারতের রাজনীতিকদের

নুর নাহার : ময়না বলো তুমি ঘাসফুল, নাকি পদ্ম? ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের আগে আপাতত এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। যার উত্তর খুঁজতে রাস্তার গণৎকারের তোতা-টিয়া-ময়নার খাঁচার সামনে উড়ে যাচ্ছে শ’য়ে শ’য়ে নোট। বাজি ধরেছেন বহু লোক। বাজিমাত হবে কি না, তার আন্দাজ পেতে অনেকেই বসছেন গণক টিয়ার সামনে। সংবাদ প্রতিদিন
সোমবার হাওড়া ব্রিজে হাজির বৈদ্যবাটির সুবিমল রায়। ভাগ্যে বিশ্বাস করেন। মনে করেন ভাগ্য বদলানো সম্ভব। তাঁর দল কত পাবে সেই সংখ্যা বলতে পারবে টিয়াই। আর তা জানতেই ট্রেনে চড়ে আসা হাওড়ায়। সঙ্গী আরও জন চারেক বন্ধু। পাঁচ হাজার টাকা বাজি ধরেছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

এক্সিট পোলের ফলাফলে মাথার চুল খাড়া। তাই স্থির থাকতে না পেরে একেবারে টিয়ার দুয়ারে তাঁরা। একটু যাঁরা বিত্তবান তাঁরা আবার ছুটছেন একেবারে জ্যোতিষঘরে। যদি কোনওভাবে বদলে দেওয়া যায় ভাগ্যটা। সামান্য কিছু তুকতাক করে কিছুটা আগে জেতা-হারাটা জেনে নেওয়া যায়। “কী করব, সারা বছর ধরে দলটা করি। টেনশন আর ধরে রাখতে পারছি না। আগে থেকে মোটামুটি একটু আভাস পেয়ে যাওয়া আর কি! আসলে এখানে যিনি রয়েছেন, তাঁর কথা আমার মিলে যায়। অগাধ ভরসা।” সোমবার উত্তর কলকাতার এক জ্যোতিষীর চেম্বার থেকে বেরনোর সময় বলছিলেন বিরোধী দলের এক অনুগামী।
নামের বিচারে ২৩ তারিখ কার শুভ, কার অশুভ, যাবতীয় বিষয়ই নিষ্ঠার সঙ্গে কম্পিউটার দেখছেন। অনেকেই সকালে উঠে কোন রঙের পোশাক পরলে ফলাফলটা নিজের অনুকূলে আসবে, তা-ও অনেকেই বিচার করে রেখেছেন প্রার্থীরা।
কলকাতার হাওড়ার ব্রিজে বসেন গণৎকার বলরাম শাস্ত্রী। বললেন, “সোমবার থেকে ব্যবসা রাতারাতি বেড়েছে। প্রচুর মানুষ আসছেন। কেউ আবারতাবিজ-কবজও নিচ্ছেন। সবাই অবশ্য একই জিনিস জানতে চাইছেন, কারা ক’টা পাবে! আর নিজের পছন্দের প্রার্থী জিতছে কিনা! টিয়া যা তুলছে সেটা হবেই বলছি না। তবু অনেকেই তো এসব মানেন।”

  • সর্বশেষ