শিরোনাম
◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে ছিল সিএনজি; মিলেছে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ◈ নাটোরে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ নিয়ে উধাও সেই যুবককে দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে (ভিডিও) ◈ জাতীয় ক্রীড়া প‌রিষ‌দের ক্রীড়া পরিচালকের বিরুদ্ধে সংগঠককে পেটানোর অভিযোগ, থানায় মামলা ◈ বাংলাদেশ-নেপালের মতো ভারতে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি ◈ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক, গবেষণায় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ঢাকায় অটোরিকশা-ই-বাইক চলাচলে নতুন নিয়ম, ৮ জোনে আলাদা রং ও নির্দিষ্ট সংখ্যা ◈ কিডনি-লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টে নতুন সুযোগ, নিকটাত্মীয়ের বাইরে ‘ইমোশনাল ডোনার’ নিয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে যা আছে ◈ ১০২ ডিগ্রি জ্বরের স্ত্রীর কাছে পরোটা-মাংসের আবদার, সমালোচনার মুখে যা বললেন মুকিত জাকারিয়া ◈ বিদেশগামীদের ডলার কেনার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক, মানি চেঞ্জারে মিলবে ৩ হাজার মার্কিন ডলার ◈ ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক আইন মানবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল
আপডেট : ১৯ মে, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাত বছর পর শিকলমুক্ত হলো শিশু বাদল

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : সাত বছরের শিকলে বাঁধা জীবন থেকে মুক্তি মিলেছে শিশু বাদলের। ৯ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী শিশু বাদলকে শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মৌলভীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে মুক্ত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ। শিশুটির তিন মাস বয়সে বাবা ও দুই বছর বয়সে মা তাকে ছেড়ে চলে যায়। দাদির কাছেই অনেকটা অমানবিকভাবে বেড়ে ওঠছিল বাদল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০ বছর আগে জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের রিপন মিয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের কালিসীমা গ্রামের মোমেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর রিপন-মোমেনা দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় শিশু বাদল। তবে মাত্র তিন মাস বয়সেই বাদলকে ফেলে চলে যান বাবা রিপন মিয়া। পরে মা মোমেনা ও দাদি শাহানা বেগম বাদলকে লালন-পালন করতে থাকেন।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাদলের মানসিক প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি ধরা পড়ে। বাদল স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারত না এবং তার মধ্যে বেশি চঞ্চলতা ছিল। এ অবস্থায় দুই বছর বয়সে বাদলকে দাদির কাছে রেখে মা মোমেনাও চলে যান। বাবা-মা ছাড়া সন্তান নিয়ে বিপাকে পড়েন দাদি শাহানা। অন্যের বাড়িতে কাজ করে নাতিকে লালন পালন করতে থাকেন শাহানা। কিন্তু অর্থের অভাবে ঠিকমতো বাদলের চিকিৎসা করাতে পারেননি। প্রতিবেশীদের কাছে থেকে সাহায্য নিয়ে কিছুদিন চিকিৎসা করিয়েছেন। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। বাদলের চঞ্চলতার কারণে তাকে দিনের বেলা শিকলে বেঁধে রাখা হত। এদিকে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে শিশু বাদলকে শিকলে বেঁধে রাখার খবর পেয়ে তাকে মুক্ত করে দিয়েছে সদর মডেল থানা পুলিশ। পাশাপাশি বাদলের চিকিৎসা এবং তার দাদিকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, বাদল খুবই চঞ্চল প্রকৃতির। তার বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি। বর্তমানে সে দাদীর হেফাজতে আছে।

  • সর্বশেষ