প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চড়া রোদে হতে পারে ভয়ানক ৫ সমস্যা

জাবের হোসেন : তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে কী হবে, চড়া রোদের জেরে প্রতিদিনই মনে হচ্ছে তা যেন ৪০ ডিগ্রি পার করে ফেলছে। ডাক্তাররা বলেন, শিশু ও বৃদ্ধদের এ সময় বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত। সুগার ও প্রেশারের রোগীদের এবং যারা বিটা ব্লকার ও ডাই ইউরেটিক জাতীয় ওষুধ খান তাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। বর্তমান

ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এ ধরনের প্রচণ্ড গরমে হিট ক্র্যাম্প, হিট এগজরশন ও হিট স্ট্রোক তিনটি হওয়ারই আশঙ্কা। প্রথমটির ক্ষেত্রে তাও তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা পরিবেশে গিয়ে, লবন চিনির শরবত বা ওআরএস খেয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামলানো যায়। কিন্তু বাকি দুটি সমস্যায় বিলম্ব না করে হাসপাতালে যেতে হবে। এছাড়াও প্রেসার কমে যাওয়া, ডিহাইড্রেশন বা শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি বেরিয়ে যাওয়ার সমস্যাতেও চিকিৎসক বা নিকটবর্তী হাসপাতালে গিয়ে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডাক্তারদের মতে, চড়া রোদ ও তাপপ্রবাহের প্রভাবে মূলত তিন ধরনের ইমার্জেন্সি সমস্যা হতে পারে। গুরুত্ব এবং শারীরবৃত্তীয় অবস্থার বিচারে ধাপগুলি হিট ক্র্যাম্প, হিট এগজরশন ও হিট স্ট্রোক। প্রচণ্ড তাপে শরীরে জলের অভাব হলে যে ক্ষতিকর প্রভাবগুলি পড়তে শুরু করে, হিট ক্র্যাম্প হল তার প্রথম ধাপ। সমস্যাটির নামের মধ্যেই রয়েছে লক্ষণগুলি। গা, হাতে, পায়ে ব্যথা বা ক্র্যাম্প। অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা জায়গায় গিয়ে, পর্যাপ্ত পানি খেয়ে এই সমস্যার কিছুটা সমাধাণ করা সম্ভব। হিট এগজরশনে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যাওয়ায় আক্রান্তদের খারাপ লাগতে শুরু করে, মাথা ঘোরে। তীব্র অস্বস্তি শুরু হয়। লক্ষ্য রাখবেন, এটি কিন্তু বড় বিপদের পূর্বাভাস। এমন হলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

ডাক্তারদের মতে, মানব মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে শরীরের নিজস্ব থার্মোস্ট্যাট রয়েছে। এই অংশটিই তাপমাত্রা বাড়া-কমার সঙ্গে মানুষকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। চড়া রোদে ঘাম বের করে বা শরীর ঠাণ্ডা করে এই নিজস্ব থার্মোস্ট্যাটই। হিট স্ট্রেকে এই ব্যবস্থাটি আর কাজ করে না। অনেকসময় রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। শরীর প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়। দেরি না করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যেতে হবে।

ডাক্তাররা আরও দুটি ইমার্জেন্সি সমস্যার কথা বললেন। একটি হলো প্রেশার কমে যাওয়া এবং দ্বিতীয়টি ডি-হাইড্রেশন বা শরীরে পানির অত্যধিক অভাব। ডি হাইড্রেশন-এর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। এ ধরনের সমস্যায় লবন, পাতিলেবু এবং সুগার ফ্রি পানিগুলে খেতে পারেন। এছাড়া চড়া রোদে ঘোরাঘুরি করে অনেকের প্রেসার ফল করতে পারে। প্রশ্ন হল, কীভাবে বুঝবেন প্রেসার ফল করেছে? মাথা ঘোরা এবং প্রস্রাব খুব কমে যাওয়া বা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যতম লক্ষণ। দ্রুত এর সংশোধন না করলে বড় বিপদ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত