প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমুদ্রের তেল গ্যাস উত্তোলনে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি এলএনজি নির্ভরতা কমবে দাবি বিশেষজ্ঞদের

মোহাম্মদ মাসুদ : বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে ইতিবাচক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করেন সমুদ্রসীমা থেকে তেল গ্যাস উত্তোলন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যয়বহুল এলএনজি নির্ভরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে। সময় টিভি

২০১২ সালের মার্চে মিয়ানমারের সঙ্গে, আর ২০১৪ সালের জুলাইয়ে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা জয়কে বিবেচনা করা হয় দেশের বড় অর্জন হিসেবে। কিন্তু প্রতিবেশী ভারত আর মিয়ানমার সমুদ্রসীমা থেকে নিয়মিত গ্যাস উত্তোলন করলেও গত ৭ বছরে সমুদ্র জয়ের সুফল ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।

জ্বালানি সম্পদের জন্য সম্ভাবনাময় বিশাল সমুদ্রের ২৬ ব্লকের ২২টি পড়ে আছে অলস অবস্থায়। বাকি ৪ টির কার্যক্রম কেবল অনুসন্ধান পর্যায়ে। আর ৫ বছর ধরে থমকে আছে মাল্টি ক্লায়েন্ট সার্ভের উদ্যোগও।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধানে সহযোগিতার আগ্রহ দেখিয়েছে দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।

সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে দুই পরাশক্তির সহযোগিতার আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে কৌশলী ও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতির ওপর জোর দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, যে কোম্পানিগুলো এ ধরণের কাজে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাদের যাচাই বাছাই করে কাজ দেয়াটা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে। সাগরে একাধিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে গ্যাসের দাম কমে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত