শিরোনাম
◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও) ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান ◈ অবশেষে হাইকোর্টে জামিন পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন ◈ তথ্য গোপনে ছাড় নেই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করা হল ২১ লাখ সিম

ডেস্ক রিপোর্ট : শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব অপারেটরের মোট ২১ লাখ সিম।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির নির্দেশনায় ছিল- একই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি নিবন্ধিত সিম রাখা যাবে না।
কিন্তু দেখা গেছে, একই পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ।

এসব সিম শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করা সিমের মধ্যে রয়েছে- গ্রামিনফোনের ৪ লাখ ৬১ হাজার ২৬১টি, বাংলালিংকের ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩১টি, রবির ৪ লাখ ১৯ হাজার ২০২টি এয়ারটেলের ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৪১টি ও টেলিটকের ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২টি।

২৬ এপ্রিলের মধ্যে এসব সিম বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে দেশের সব অপারেটরের সঙ্গে বৈঠক করে বিটিআরসি তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে, অপারেটরগুলোকে এসব সিম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেয় বিটিআরসি।

সেই তথ্যের ভিত্তিতে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিমের সংখ্যা ১৫টিতে নামিয়ে আনবে বলে বিটিআরসিকে জানিয়েছে অপারেটরগুলো।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৫ এর অধিক সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান যুগান্তরকে বলেন, নিরাপদে মোবাইল সিম ব্যবহারে এ প্রচেষ্টা আরও গ্রাহকবান্ধব হবে এবং এ খাত অধিকতর সুশৃঙ্খল হবে।

আশা করছি এর ফলে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে উন্নত টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
সূত্র : যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়