শিরোনাম
◈ জাতীয় দলে সাকিবের ফেরার গুঞ্জন: বিসিবির সঙ্গে আলোচনা শুরু ◈ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার প্রমাণ দেবে: আইজিপি বাহরুল আলম ◈ দেশে ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে জি-টু-জি চুক্তি ◈ ভোটগ্রহণের দিনে দেশজুড়ে নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসির ◈ নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষ আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের ◈ নির্বাচনের আগে-পরে যান চলাচলে কড়াকড়ি, যে নির্দেশনা দিল ইসি ◈ গণভোট ও নির্বাচন: সরকারের পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ ভাবটা এমন আওয়ামী লীগকে সরানো হয়েছে বিএনপিকেও তাড়ানো হবে, বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি : মির্জা আব্বাস  ◈ বিএনপি যদি ওতোই খারাপ হয়, তাদের ২জন কেন পদত্যাগ করে চলে আসেননি : তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আব্বাসের নির্দেশ তারেক রহমানের সম্মতিতে পাটওয়ারীর ওপর হামলা: নাহিদ ইসলাম (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করা হল ২১ লাখ সিম

ডেস্ক রিপোর্ট : শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব অপারেটরের মোট ২১ লাখ সিম।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির নির্দেশনায় ছিল- একই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি নিবন্ধিত সিম রাখা যাবে না।
কিন্তু দেখা গেছে, একই পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ।

এসব সিম শুক্রবার মধ্যরাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করা সিমের মধ্যে রয়েছে- গ্রামিনফোনের ৪ লাখ ৬১ হাজার ২৬১টি, বাংলালিংকের ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩১টি, রবির ৪ লাখ ১৯ হাজার ২০২টি এয়ারটেলের ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৪১টি ও টেলিটকের ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২টি।

২৬ এপ্রিলের মধ্যে এসব সিম বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের আগেই নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে দেশের সব অপারেটরের সঙ্গে বৈঠক করে বিটিআরসি তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে, অপারেটরগুলোকে এসব সিম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেয় বিটিআরসি।

সেই তথ্যের ভিত্তিতে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিমের সংখ্যা ১৫টিতে নামিয়ে আনবে বলে বিটিআরসিকে জানিয়েছে অপারেটরগুলো।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৫ এর অধিক সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান যুগান্তরকে বলেন, নিরাপদে মোবাইল সিম ব্যবহারে এ প্রচেষ্টা আরও গ্রাহকবান্ধব হবে এবং এ খাত অধিকতর সুশৃঙ্খল হবে।

আশা করছি এর ফলে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে উন্নত টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
সূত্র : যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়