শিরোনাম
◈ ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির মামলায় ৯৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন ◈ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ ◈ কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩, আরও যে তথ্য সামনে এসেছে ◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ০৮:৫৭ সকাল
আপডেট : ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ০৮:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সীমান্তে নেট তৈরি করে আতঙ্ক সৃষ্টি

ডেস্ক রিপোর্ট : তুমব্রু রাইট শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়া সাড়ে ৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিতে একের পর এক অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিপি)। এর আগে রোহিঙ্গাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখালেও কয়েক দিন ধরে বিজিপি দিনের আলোতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন সেতুর নিচ দিয়ে লোহার নেট তৈরি করছে। আর রাতের বেলায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টিতে ঘনঘন ফাঁকা গুলি বর্ষণ করছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি পতাকা বৈঠকের জন্য বিজিপিকে বারবার চিঠি দিলেও তাতে ওরা সাড়া দিচ্ছে না। মাঝখানে সোমবার নির্মাণ বন্ধ রাখলেও মঙ্গলবার থেকে বিজিপি ফের নেট তৈরির কাজ শুরু করে। এ নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দেয়া ছাড়াও সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শূন্যরেখার রোহিঙ্গারা বলছেন, বিজিপি এখান থেকে আমাদের তাড়াতে নানা চেষ্টা করছে। সবশেষ ওরা অস্ত্র উঁচিয়ে হুমকি ও রাতে সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছে।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা ছৈয়দুল বশর জানান, কয়েক দিন আগে তুমব্রু রাইটের উত্তরে ব্রিজের নিচে নেট দিয়ে বেড়া দিতে শুরু করে বিজিপি। বিজিবির তৎপরতায় সোমবার কাজ বন্ধ রাখলেও মঙ্গলবার থেকে ফের কাজ শুরু করে। এই নেট তৈরি করা হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানিতে শূন্যরেখার রোহিঙ্গারা ভেসে যাবে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা। ব্রিজের নিচে লোহার রড দিয়ে নেট তৈরিকে কেন্দ্র করে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, ব্রিজটি মিয়ানমারের ভেতরে হওয়ায় সুসম্পর্ক বজায় রেখেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ফের নেট তৈরির কাজ শুরু করেছে। আমাদের পক্ষ থেকে এ নিয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। বুধবার আবারও পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে বিজিপিকে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর সেনা নির্যাতনে পালিয়ে এসে শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার রোহিঙ্গা। তখন থেকেই তাদের রেডক্রস মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

সূত্র : যুগান্তর।

  • সর্বশেষ