প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দিল্লিতে পকেটে এটিএম কার্ড, তবুও উধাও ১০ লাখ টাকা

রাশিদ রিয়াজ : অন্ততপক্ষে ১২ জনের একই অভিযোগ, দিল্লির বেশ কিছু এলাকার নানান এটিএম থেকে নিজেদের অজান্তেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তারা এটিএম কার্ড ব্লক করার আগেই উধাও হয়ে যায় সব টাকা। নিজেদের কাছেই ছিল এটিএম কার্ড। অথচ মোটা অঙ্কের টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব। পুলিশ এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে। সকলের যে একই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট তা নয়। বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের। তবে যাদের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে তারা প্রায় প্রত্যেকেই পূর্ব দিল্লির বাসিন্দা। ওই ১২ জনের অভিযোগ, দিল্লির বেশ কিছু এলাকার নানান এটিএম থেকে নিজেদের অজান্তেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তারা এটিএম কার্ড ব্লক করার আগেই উধাও হয়ে যায় সব টাকা।

কিন্তু কী ভাবে টের পেলেন তারা? প্রত্যেকের ফোনেই প্রায় নোটিফিকেশন এসেছে। ঘটনাগুলি ঘটেছে ১২-১৫ মিনিটের মাথায়। যে সময়ে কারও এটিএম থেকে যে টাকা উঠছে, সেটা বুঝে কার্ড ব্লক করার সময় এবং সুযোগ পাবেন না কেউ। লক্ষ্মীনগর এলাকার এক ব্যবসায়ী উপেন্দ্র কুমারের কথায়, গত মাসে আমার এটিএম কার্ড আমি শেষ ব্যবহার করেছিলাম। সে দিন এটিএম কার্ড আমার সঙ্গেই ছিলো। এ দিকে একের পর এক মেসেজ আসছে। ব্যাঙ্কে যে বিষয়টি জানাব সে সুযোগও পাইনি। ১২-১৫ মিনিটের মধ্যেই সমস্ত টাকা উধাও হয়ে যায়।

ব্যাংকের সঙ্গে উপেন্দ্র কুমার যোগাযোগ করলে তাকে পুলিশে অভিযোগ করতে বলা হয়। আর সেখানে গিয়েই তিনি জানতে পারেন, এই একই ঘটনা আরও সাত জনের সঙ্গে ঘটেছে। তবে এদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাকাউন্ট পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে। সম্প্রতি রোমানিয়ার কিছু অপরাধীকে এমনই স্কিমিংয়ের ঘটনায় সন্দেহ করেছিল পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনাতেও জড়িয়ে আছে তারাই। টেলার মেশিনের মধ্যে থাকা স্কিমারের মাধ্যমে তারা এটিএম কার্ডের সব খুঁটিনাটি জানতে পেরে যায়। আর তার পরেই কার্ড ক্লোন করে সহজেই টাকা তুলতে পারে তারা।

পঙ্কজ কুমার নামে এক আইটি কর্মীও নিজের বেতনের পুরো টাকাই প্রায় এই ভাবেই ছুইয়েছেন। তাঁর কথায়, দোষীদের এই ভাবে শনাক্ত করা খুবই দুষ্কর। কারণ, গোটা দিল্লির নানান এটিএম থেকে টাকা তুলছে তারা। আর এক ব্যবসায়ী অরুন কুমার বলছেন, তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ দুই মাস সময় চেয়েছে। তাতেও কিছু উপায় বের না করতে পারলে, তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। পুলিশ এই মুহূর্তে দিল্লির আনাচ-কানাচে সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে তদন্ত করছেন। পরবর্তীতে পুলিশ প্রতারণা এবং চুরির মামলা দায়ের করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত