শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় ◈ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেল‌তে ভারতে গে‌লো বাংলা‌দেশ হকি দল ◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট ◈ শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া সেই রুমির বার্তা, ‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’ ◈ অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান, নতুন করে উত্তেজনা ◈ আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে , জানা গেল কারণ

প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ২০১৯, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ১৫ মার্চ, ২০১৯, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনে বউ কিনতে বেশি খরচে আদালতও চিন্তিত!

রাশিদ রিয়াজ : চীনে কয়েক বছর আগে পর্যন্ত পাত্রীপক্ষের দাবি সীমিত ছিল ১১,০০০ ইউয়ান বা ১,৬৩৯ ডলারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে হবু জামাইয়ের কাছে দেড় কেজি ১০০ ইউয়ানের নোট, গাড়ি এবং বাড়ির দাবি করছেন পাত্রীর অভিভাবকরা। চীনে এখন বিয়ে করা মানে বিপুল খরচের ধাক্কা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ, শেয়ার বাজারে ধস ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হওয়ায় চলতি বছরে চীনে জাতীয় অর্থনীতি ফের হোঁচট খাওয়ার জেরে মনমতো পাত্রী খুঁজে পাওয়া দায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া

দেশটিতে গ্রামাঞ্চলে মাথাপিছু গড় আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বছরে ১৫,০০০ ইউয়ান বা ২,২৩৪ ডলার। শহরে এই পরিমাণের প্রায় তিন গুণ আয় হয় বলে সমীক্ষায় জানা গিয়েছে। বিবাহেচ্ছুক পাত্রদের সরকারি ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে দেশটির শাংঝি প্রদেশের তাইয়ুন শহর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারপরও চীনের সার্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত বাড়ছে কন্যাপণের মূল্য। হবু শ্বশুরের দাবি মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিয়ে করতে ইচ্ছুক পাত্র। এমনই জানিয়েছেন বার্ষিক ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারী এক সদস্য।

ঝ্যাং কিংবিন নামে ওই জাতীয় জনগণ কংগ্রেসের সদস্য জানিয়েছেন, চীনের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে বিয়ে করতে হলে পাত্রকে প্রায় ৭ লাখ ইউয়ান খরচের জন্য তৈরি থাকতে হচ্ছে। তার মতে, ‘গ্রামাঞ্চলে দারিদ্রের কারণে সম্প্রতি কন্যাপণের বোঝা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।’

চলতি বছরে জাতীয় অর্থনীতি ফের হোঁচট খাওয়ার জেরে মনোমতো পাত্রী খুঁজে পাওয়া দায়। এর উপর রয়েছে, অবিবাহিত যুবকদের চীনের গ্রাম্য সমাজে নিরন্তর গঞ্জনা সহ্যের রীতি। এই পরিস্থিতির জন্য মেয়ের বাবা-মায়ের কাঁধে দোষ চাপিয়েছেন ঝ্যাং। তার অভিযোগ, অতিরিক্ত লোভের কারণে বহু যুবককে তারা হতাশার মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

এরপরও বিবাহেচ্ছুক পাত্রদের সরকারি ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা ছাড়াও শাংঝি প্রদেশের তাইয়ুন শহর কর্তৃপক্ষ নববিবাহিতদের বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি তোলা, ভোজসভা ও মধুচন্দ্রিমায় ভ্রমণের খরচ ছাড়াও নতুন সংসার পাতার জন্য গেরস্থালির জিনিসপত্রের খরচ যোগাচ্ছে। সিনহুয়া

  • সর্বশেষ