শিরোনাম
◈ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ডেমোক্র্যাটদের হুঁশিয়ারি: ইরান ইস্যুতে আইন হাতে তুলে নেবেন না ◈ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন তারেক রহমান ◈ ৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা ◈ নীরব জোনে তীব্র শব্দসন্ত্রাস: শাহবাগসহ ঢাকাজুড়ে বাড়ছে শব্দদূষণ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য ◈ ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করেছে সরকার ◈ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ◈ কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ? যা জানাগেল ◈ ৪৫ হাজার কোটি টাকা বিদ্যুতে  বকেয়া, দেউলিয়া পরিস্থিতি বলছেন নতুন মন্ত্রী ◈ চাঙ্গা হচ্ছে কূটনৈতিক মিশনগুলো ◈ বিশ্বকাপে অ‌স্ট্রেলিয়ার ভরাডুবিতে নির্বাচকদের ওপর চটলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা ও মার্ক ওয়াহ 

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৫ সকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশেগুলোতে গৃহকর্মীর নামে বাংলাদেশের নারীদের উপর চলছে নির্যাতন

আব্দুস সালাম : বাংলাদেশের যে সব নারী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মীর কাজ করতে গেছেন তাদের মধ্যে ১৩শর বেশি নারী দেশে পালিয়ে এসেছে। এক জরিপ বলছে, মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশে নারী শ্রমিকদের ২৫ শতাংশ নির্যাতনের শিকার। অনেক নারী সেসব দেশ থেকে পালিয়ে এসে নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো করুণ কাহিনী শুনিয়েছেন। বিবিসি বাংলা

গত বছর মে মাসের দিকে সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশি নাম প্রকাশ করেনি ধর্ষণের শিকার এক নারী বলছিলেন, তিনি সেখানে নির্যাতনের শিকার, আমাকে গৃহকর্তা ও তার ছেলে বেধে ধর্ষণ করতো। তার ভাষায় নির্যাতনের ফল হলো তার এই শিশুটি। তিনি অবশেষে দেশে ফিরে আসেন সরকার ও একটি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে।

ব্রাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সাইকো সোস্যাল এর কাউনসিলার মাহমুদা আক্তার বলেছেন, নির্যাতনের শিকার নারীদের মধ্যে কেউ মানসিক ভাবে অসুস্থ্য, নাহয় হাতপায়ে অত্যাচারের ক্ষতের দাগ বা কারো হাত পা ভাঙ্গা অবস্থায় দেশে ফিরে আসে। গতবছর তেরশর বেশি নারী শ্রমিক নির্যাতনের কারণে পালিয়ে দেশে চলে আসে। এর মধ্যে পাঁচ জন ধর্ষণের শিকার।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ও জনশক্তি এজেন্সি বায়রার হিসিবে গত বছর এক লাখের বেশি শ্রমিক মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ গেছেন সৌদি আরবে, তাদের মধ্যে নির্যাতনে শিকার ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশে নারী শ্রমিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, বড় কারণ হচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশের লোকেরা মনে করে বাংলাদেশ থেকে যে সব মেয়েরা যায় তারা মিসকিন। তাদের কে কিনেনিয়েছে তাই এমন নির্যাতন করে। এটা দাশ প্রথা মনে করে নিয়েছে। ২০১৫ সালে আমরা যখন বললাম যে নারী শ্রমিক দিব না তথন তারা বললো আপনারা একজন নারী শ্রমিক দিলে দুইজন পুরুষ শ্রমিক পাঠাতে পারবেন। এবং তারা বলে আর কোনো অত্যাচার করবে না। তাই বাংলাদেশে সরকার শ্রমিক পাঠাতে রাজি হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়