শিরোনাম
◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি ◈ কী ঘটেছিল, কী দেখে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতদল? যা জানাগেল (ভিডিও) ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন, জড়িত তিন সহোদর ◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৫ সকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশেগুলোতে গৃহকর্মীর নামে বাংলাদেশের নারীদের উপর চলছে নির্যাতন

আব্দুস সালাম : বাংলাদেশের যে সব নারী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মীর কাজ করতে গেছেন তাদের মধ্যে ১৩শর বেশি নারী দেশে পালিয়ে এসেছে। এক জরিপ বলছে, মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশে নারী শ্রমিকদের ২৫ শতাংশ নির্যাতনের শিকার। অনেক নারী সেসব দেশ থেকে পালিয়ে এসে নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো করুণ কাহিনী শুনিয়েছেন। বিবিসি বাংলা

গত বছর মে মাসের দিকে সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশি নাম প্রকাশ করেনি ধর্ষণের শিকার এক নারী বলছিলেন, তিনি সেখানে নির্যাতনের শিকার, আমাকে গৃহকর্তা ও তার ছেলে বেধে ধর্ষণ করতো। তার ভাষায় নির্যাতনের ফল হলো তার এই শিশুটি। তিনি অবশেষে দেশে ফিরে আসেন সরকার ও একটি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে।

ব্রাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সাইকো সোস্যাল এর কাউনসিলার মাহমুদা আক্তার বলেছেন, নির্যাতনের শিকার নারীদের মধ্যে কেউ মানসিক ভাবে অসুস্থ্য, নাহয় হাতপায়ে অত্যাচারের ক্ষতের দাগ বা কারো হাত পা ভাঙ্গা অবস্থায় দেশে ফিরে আসে। গতবছর তেরশর বেশি নারী শ্রমিক নির্যাতনের কারণে পালিয়ে দেশে চলে আসে। এর মধ্যে পাঁচ জন ধর্ষণের শিকার।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ও জনশক্তি এজেন্সি বায়রার হিসিবে গত বছর এক লাখের বেশি শ্রমিক মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ গেছেন সৌদি আরবে, তাদের মধ্যে নির্যাতনে শিকার ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশে নারী শ্রমিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, বড় কারণ হচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশের লোকেরা মনে করে বাংলাদেশ থেকে যে সব মেয়েরা যায় তারা মিসকিন। তাদের কে কিনেনিয়েছে তাই এমন নির্যাতন করে। এটা দাশ প্রথা মনে করে নিয়েছে। ২০১৫ সালে আমরা যখন বললাম যে নারী শ্রমিক দিব না তথন তারা বললো আপনারা একজন নারী শ্রমিক দিলে দুইজন পুরুষ শ্রমিক পাঠাতে পারবেন। এবং তারা বলে আর কোনো অত্যাচার করবে না। তাই বাংলাদেশে সরকার শ্রমিক পাঠাতে রাজি হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়