শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৮:২১ সকাল
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৮:২১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ওয়াহিদ ম্যানশনের বেজমেন্টে রাসায়নিকের শত শত কনটেইনার (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় পুড়ে যাওয়া ওয়াহিদ ম্যানশনের বেজমেন্টে শত শত কনটেইনার ও বস্তায় বেআইনিভাবে এখনও মজুত আছে রাসায়নিক। আগুন বেজমেন্ট পর্যন্ত পৌঁছালে বিস্ফোরণের মাত্রা হতো অকল্পনীয়।

শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে ওয়াহিদ ম্যানশনে কোনো কেমিক্যালের গোডাউন ছিলো না। কিন্তু শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ওয়াহিদ ম্যানশনের বেজমেন্টে যান সময় টিভির প্রতিবেদক। সেখানে দেখা মেলে শত শত ড্রাম, বিভিন্ন কন্টেইনার ও প্যাকেটে নানা ধরনের কেমিক্যাল। রং তৈরিতে ব্যবহৃত হতো এসব কেমিক্যাল, পাউডার এবং লিকুইড। কেমিক্যালে ভরপুর পুরো বেসমেন্ট।

ওয়াহিদ ম্যানশনের বেসমেন্টের শত শত বস্তা প্যাকেট ও কন্টেইনারে রয়েছে রঙের পাউডার। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এসব পাউডার উচ্চ দাহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক দ্রব্য।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, এই ভবনটিতে শুধু অননুমোদিতভাবে রাসায়নিক মজুত করা হয়েছে তাই নয়, এমনকি মজুত করার ক্ষেত্রে মানা হয়নি কোনো নিয়মকানুনও। চুড়িহাট্টার চৌরাস্তার সামনে লাগা আগুন যদি বেজমেন্ট পর্যন্ত আসতো তাহলে আগুনের ভয়াবহতা ও নির্মমতা কোন পর্যায়ে যেতো তা কল্পনাতীত।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, ওয়াহিদ ম্যানশনের বেজমেন্টে থাকা রাসায়নিকের গুদাম পর্যন্ত আগুন পৌঁছালে বিস্ফোরণের মাত্রা হতো ব্যাপক। এতে আগুন নেভাতে সময় লাগতো অনেক বেশি। ফলে বেড়ে যেতো হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, এই বেজমেন্টে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশই ডাইয়িং এবং প্রিন্টিং-এর কাজে ব্যবহৃত হতো।

সব কেমিক্যালই বিপদজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাভাবিক নিয়মে বেজমেন্টে কার পার্কিং থাকার কথা, সেখানে গোডাউন করা হয়েছে, এমনকি গোডাউনে মালপত্র রাখার যেসব নিয়ম কানুন রয়েছে সেগুলোও মানা হয়নি। পুরোই নিয়ম বহির্ভূতভাবে বেজমেন্টে গোডাউনে রাসায়নিক রাখা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়