শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৫৯ রাত
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুধু গান, বাজনা, নাটক কোনো সংস্কৃতি নয়, মূল সংস্কৃতি থাকে মানুষের মস্তিষ্কের কোষের মধ্যে, চেতনার মধ্যে, বললেন কবি অসীম সাহা

জুয়েল খান : একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও আমাদের নতুন সময় পত্রিকার সংযুক্ত সম্পাদক অসীম সাহা বলেছেন, উচ্চ আদালতের আদেশের কারণে আমাদের বাংলা ভাষার চর্চা করতে হবে বা সর্বস্তরে ব্যবহার করতে হবে কেন? বাংলা আমাদের মাতৃভাষার চর্চা আমাদের করতেই হবে। ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

অসীম সাহা বলেন, ১৯৭০ সালে আমরা যখন বঙ্গবন্ধুর সাথে অসহোযোগ আন্দোলন করেছি, তখন কোনো সাইনবোর্ড বাংলা ছাড়া উর্দুতে লিখিনি। আমরা বলেছি বাংলা আগে লিখতে হবে তারপরে অন্য ভাষা। আমরা এখন আত্মঘাতীর পর্যায়ে আছি, কারণ বাংলা ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকির মধ্যে। একটা জাতি তখনই জাগে যখন তার সাংস্কৃতিক চেতনা সমৃদ্ধ হয়।

তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানে লেখা আছে বাংলা ভাষাকে ব্যবহার করতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুই সেটা করেছেন। তারপরেও হাইকোর্ট কিংবা আমলারাসহ এখনো বহু জায়গাতে বাংলা প্রচলিত হয়নি। আমরা কোনটাকে উন্নয়ন ধরবো রাস্তাঘাট কিংবা ব্রিজ। এটাকে এক ধরনের উন্নয়ন বলতে পারি, তবে চেতনার বিপ্লব যদি না হয় তাহলে কোনো উন্নয়নই কাজে লাগবে না।

তিনি জানান, বিনম্রভাবে জুতা খুলে শহীদ মিনারে যাওয়া আমাদের সংস্কৃতির অংশ। আমরা একটা হীনমন্যতায় ভুগছি যে ইংরেজি না জানলে আমরা ছোট হয়ে গেলাম। বিশেষ করে রেডিওতে বাংলার পরিবর্তে হিন্দিমিশ্রিত ইংলিশ বলা হচ্ছে, কিন্তু মা-বাবা সন্তানদের নিষেধ করছে না। কারণ তারা ধরেই নিচ্ছে যে তাদের সন্তানরা এই ভাষা শিখলে বিদেশে যেতে পারবে। অভিজাত শ্রেণির মানুষরা এটা করছে।

অসীম সাহার বলেন, ইংরেজি না জানলে আমরা কিছুই করতে পারবো না, এটা একটা হাস্যকর ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক না আছে আমাদের বাড়িতে, না আছে স্কুলে। বাংলা একাডেমিতে বাংলা শেখার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সব অফিসে ব্যবহার করতে হবে সেই বইটি বিগত পাঁচ বছর যাবত নতুন করে ছাপা হয় না। এর বদলে আধুনিক বাংলা অভিধান নামে একটি বই বেরিয়েছে যেটা ভয়ংকরভাবে ভুলে ভরা। সুতরাং ব্যবহারিক বাংলা অভিধানকে পুনর্বিন্যাস করে আবার বের করতে হবে।

  • সর্বশেষ