প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইমিগ্রেশনের আবেদনে তথ্য দিতে সাবধান!

এমএল গণি : ইমিগ্রেশন কন্সাল্টেন্সিতে এসে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাহিনী আমাকে শুনতে হয়। সব ক্ষেত্রে যে সমাধান বাৎলে দিতে পারি তা কিন্তু নয়। কিছুক্ষণ আগে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশ থেকে এক ভারতীয় ছাত্র ইমেইল করলো। সমস্যাটা শুনুন।
তার স্ত্রী প্রথমে কানাডায় পড়ালেখা করতে আসে। কয়েকমাস পর সেও আসতে চায় তার স্ত্রীর কাছে। কানাডায় টেম্পোরারি ইমিগ্রেশনের আবেদন জমা দিলো। প্রক্রিয়া চলছে। এরই মাঝে তার কাছে কানাডার ইমিগ্রেশন অফিস থেকে এক চিঠি গেলো। চিঠিতে তার আয়ের উৎস নিয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়ে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দেয়া হলো। কোনোপ্রকার উত্তর না দিয়ে (সন্তোষজনক উত্তর ছিলো না) মাস তিনেক চুপচাপ থেকে লোকাল এক ‘নাম করা’ ভুয়া কনসালটেন্টের মাধ্যমে নতুনভাবে আবেদন করলো। ওদের দেশেও বাংলাদেশের মতো অনেক ফেক কনসালটেন্ট আছে।
এবার কিন্তু সে সাকসেসফুল! ভিসা পেলো টানা এক বছরের। একবছর পার হবার কিছুদিন আগে ভিসা এক্সটেনশনের জন্য আবেদন করার পর ঘটলো বিপত্তি। প্রথমবার আবেদনের তথ্য গোপন করে দ্বিতীয়বার আবেদন করায় তাকে ৫ বছরের কানাডা প্রবেশে ব্যান দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে কানাডা ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলো। বুঝুন এবার অবস্থা! ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত