শিরোনাম
◈ পাহাড়ি আম-আনারসসহ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চাঁদাবাজি বন্ধে গুরুত্ব সরকারের ◈ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত ◈ দিল্লি পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্ত কেজরিওয়াল-মমতা, আটককে ‘অপহরণ’ বললেন তৃণমূল নেত্রী ◈ সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত বহু যাত্রী; বাতিল বহু ফ্লাইট ◈ আবুধাবি টেস্ট, বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে লড়‌ছে আফগা‌নিস্তান, এখ‌নো ১৩৫ রানে পিছিয়ে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, শিশুসহ নিহত ৯ ◈ ফেসবুকে পরিচয় কে এই রাজু, ১৭ দিনের সম্পর্কের পর কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে কী ঘটেছিল স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি: বাংলাদেশের লাভ কতটা, ঝুঁকি কোথায়? ◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৮:১১ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৮:১১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে শরিকদের ছাড় দিতে চায় না স্থানীয় আ.লীগ

হ্যাপি আক্তার : সারা দেশে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের জেতা ৮টি আসনের দুটি বগুড়ায়, জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে দুটিতে শপথ নেননি বিজয়ীরা। এই নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো হতাশা নেই বলে দাবি বিএনপির। অন্যদিকে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা বলছেন, কেউ শপথ না নিতে চাইলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনক জানানো দরকার। তা না হলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা কারণে টানা ৩ মাস জনপ্রতিনিধিহীন হয়ে দুর্ভোগে থাকতে হবে সংসদীয় আসনের নাগরিকদের। তথ্য- যমুনা টেলিভিশন।

ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে বিএনপির তৃণমূলও। সেই সিদ্ধান্তে বগুড়ায় বিজয়ী হওয়া দুটি আসন ছাড়তে হলেও দলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে দাবি স্থানীয় বিএনপির।

বগুড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁদ বলেছেন, তৃণমূল মানুষের প্রত্যাশা যে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও কোনো লাভ হবে না। তারা তামাশার নির্বাচন করবে করুক, সেখানে আমাদের নির্বাচনে যাবার কোনো প্রশ্নই আসে না।

দুই আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী অংশ না নেয়ায় উপ-নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৯০ দিন। রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন আসনগুলোর নাগরিকরা।

ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী প্রার্থীরা শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত জানানো উচিত বলে মনে করেন বগুড়া- ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম ওমর। তিনি বলেন, শপথ না নেয়ার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে যদি লিখিতভাবে জানানো হয় শপথ নেবেন না, সেক্ষেত্রে মনে হয় কমিশনকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে না।

এদিকে আসন দুটির উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান মহাজোটের শরিক দলের হেরে যাওয়া নেতারাও। তবে এবারও ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ নেতারা।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আসাদুর রহমান দুলু বলেছেন, সেদিনের প্রেক্ষাপট যা ছিলো আজকের প্রেক্ষাপট একই না। বগুড়ায় যদি সার্বিক উন্নয়ন করতে হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগী নেতাদের মনোনয়ন দেবেন তা বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপির মোশারফ হোসেন এবং বগুড়া-৬ (সদর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। এই দুই আসনে জাসদের (ইনু) একেএম রেজাউল করিম তানসেন ও জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমর পরাজিত হন। সম্পাদনা : রাজু

  • সর্বশেষ