শিরোনাম
◈ সেনাপ্রধানের নির্বাচন নিয়ে নতুন বার্তা ◈ ভারতে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প দল নেবে আইসিসি, বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত ◈ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের পর এবার নগদ ১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদর্শ শিক্ষক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াতে হবে, বললেন রাশেদা কে চৌধুরী

খায়রুল আলম : শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শিক্ষক প্রয়োজন। শিক্ষকরা যদি কোচিংয়ে ভালোভাবে পড়াতে পারেন তাহলে ক্লাসে পড়াতে পারবেন না কেন?
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষের ভেতরে এমনিতেই ছাত্রছাত্রীদের পাঠের সময় কম। তাই যতোটুকু সময় পায় সেটিকে সদ্ব্যবহার করতে হবে। সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজন হলে শিক্ষকরা স্কুলের ভেতরেই কোচিং করাতে পারবেন, সেটি নীতিমালাতে আছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কতো টাকা করে নেবেন সেটিরও লিমিট দেয়া আছে। তাই শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পড়ালেখা ফিরিয়ে আনতে গেলে মূল দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের। একজন শিক্ষককে ষাট-পঁয়ষট্টিজন শিক্ষার্থীকে পড়াতে হয়, এটি কঠিন ব্যাপার। তা মোটেও সহজ নয়। তবে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক হলে তার কাছে তেমন কষ্টদায়ক হবে না। আর পড়ানোর মতো মন-মানসিকতাও থাকতে হবে। ক্লাসে কোনো রকম পড়িয়ে কোচিংয়ে গিয়ে ভালো করে পড়াবো এ মানসিকতা নিয়ে পড়ালে তো হবে না। শিক্ষকদের মধ্যে আদর্শ থাকতে হবে। স্কুল-কলেজ ছেড়ে যাওয়ার পরে যেন শিক্ষার্থীরা তাকে আদর্শ শিক্ষক হিসেবে মনে রাখেন, সে রকমভাবে পড়াতে হবে। আর বেতন বৃদ্ধি করলে সব সমস্যার সমাধান হয় না। এখন শিক্ষকরাও কম বেতন পান না। গ্রাম অঞ্চলের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা এখন যে বেতন পান, সেটি তার জন্য যথেষ্ট বলে আমি মনে করি। সবার বেতনই আনুপাতিক হারে হওয়া উচিত। শিক্ষকদের মোটিভেশন ফিরিয়ে আনতে হলে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা ঠিকমতো পড়াচ্ছেন কিনা, কোচিং করাচ্ছেন কিনা- এগুলোর খোঁজখবর রাখতে হবে। তাহলে শিক্ষকরা মানসম্মত শিক্ষা দেবেন বলে আমি আশা করি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়