শিরোনাম
◈ জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগে সরকারের আগ্রহ: জ্বালানি মন্ত্রী ◈ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী ◈ ফুটবলে একনায়কতন্ত্র চলতে পারে না! আলো ফেরাতে হলে টলাতে হ‌বে ইনফান্তিনোর সিংহাসন ◈ বাংলাদেশের আইটি খাতে অংশীদারত্ব ও দক্ষ জনশক্তি নিতে আগ্রহী এস্তোনিয়া ◈ অবশেষে চালু হচ্ছে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের আদলে তৈরি করা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, চলবে করপোরেট ব্যবস্থাপনায় ◈ বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ ◈ ভিসাকে দেশে গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান যেভাবে জটিল করছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ◈ শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: গুজব না ছড়ানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর ◈ ভারতের ‘র’ প্রধানের সফর: নিয়মিত কূটনৈতিক কার্যক্রম, জল্পনার অবকাশ নেই

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০১:১৩ রাত
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০১:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাষ্ট্রায়ত্ত অধিকাংশ ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমলেও দ্বিগুণের বেশি বাড়ছে কৃষি ব্যাংকের

রমজান আলী: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো মধ্যে সবচেয়ে লোকসানি শাখা কমেছে রূপালি ব্যাংকের আর রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত তিন ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রে জানা যায়, তিনবছর ধরে লোকসানি শাখা কমানোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে একমাত্র রূপালী ব্যাংক। ২০১৬ সালে ব্যাংকটির ১৪৩টি লোকসানি শাখা থাকলে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে লোকসানি শাখার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩টিতে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮টিতে।

এছাড়া বছর শেষে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ১৮১টি থাকলেও ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে সোনালী ব্যাংক ৮৮টি লোকসানি শাখা কমাতে পেরেছে। বছর শেষে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩টিতে। অগ্রণী ব্যাংকের ২০১৭ সালে ছিলো ৪৩টি তা ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ২১টি। বছর শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ২২টি।

এদিকে আনন টেক্স ও ক্রিসেন্ট লেদারের মত বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে বেকায়দায় পড়েছে এক সময়ের সবচেয়ে লাভজনক সরকারি ব্যাংক জনতা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখা ৫৭টি থাকলেও এক বছরের ব্যবধানে কমে দাঁড়িয়েছে ৫৬টিতে। বছর শেষে জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমেছে ১টি।

বেসিক ব্যাংক খেলাাপি ঋণসহ নানা কেলেঙ্কারি ও অনিয়মের অভিযোগে সমালোচিত থাকলেও লোকসানি শাখা কমেছে। ২০১৭ সালে বেসিক ব্যাংকে লোকসানি শাখা ছিলো ২১টি তা ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ১৮টি।

এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত তিন ব্যাংকের মধ্যে ২টি ব্যাংকের শাখা কমলেও একটি ব্যাংকের লোকসানি শাখা ২০১৮ সালে বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ২০১৭ সালে ছিলো ২২টি তা ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ১৮টি। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ২০১৭ সালে লোকসানি শাখা ছিলো ৮৬টি তা ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ৪৬টি। বছর শেষে কমেছে ৪০টি। তবে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। ২০১৭ সালে ছিলো ১৪৫টি তা ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৬৪টি। এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ২১৯টি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, হিসাবে নতুন প্রক্রিয়া গ্রহণে কারণে লোকসানি শাখা বেড়েছে। কয়েক বছর ধরে ডিপোজিটসহ আদার বিষয়ে লাভ দেয়া হয়নি। এ বছর এক সাথে সবার লাভ দেয়া হয়েছে। তাই লোকসানি শাখা বেড়েছে। আগামী বছর আবার লোকসানি শাখা কমে যাবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর লোকসানি শাখা কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময় পরামর্শ দিয়ে আসছে। গত কয়েক বছর ধরে লোকসানি শাখা কমার ধারাবাহিকতায় রয়েছে। আশা করছি এক সময় আর লোকসানি শাখা থাকবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়