শিরোনাম
◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ ◈ নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ২-১এ এগি‌য়ে গে‌লো বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল ◈ ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ ◈ মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া, প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মেসির সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছে আর্জেন্টিনা: বিবিসির বিশ্লেষণ ◈ ফাইনালে আর্জেন্টিনার এনজোর লাল কার্ড নিয়ে যা বলছে ভিএআর ◈ হামের উপসর্গে আরও পাঁচ মৃত্যু, সিলেটে তিনজন ◈ স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত বার্নহাম, ব্রিটেনে নতুন সরকার ◈ বাংলাদেশ রেলওয়েতে যুক্ত হচ্ছে ভারতের তৈরি ২০০ আধুনিক কোচ, বাড়বে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৯ সকাল
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেছেন, হাইকোর্টের রায় নদী দখলদারদের মুখে চপেটাঘাত

জিয়ারুল হক : সম্প্রতি হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়েছে, নদী দখলকারীরা ব্যাংক ঋণ পাবে না এবং নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে না। হাইকোর্টের রায় নদী দখলদারদের মুখের ওপর বড় চপেটাঘাত, বললেন স্থপতি ইকবাল হাবিব । ডিবিসি টিভি

তিনি বলেন, আমাদের দেশের বিভিন্ন সংস্থাগুলো নদী রক্ষায় কোন কাজ করেনি। তারা মূলত নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথা বলে দখলদারদের স্বার্থ রক্ষা করেছে। এসময় ২০১১ সালের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন তখন নদীর সীমানা পিলার করতে গিয়ে আমাদেরকে পানিতে ডুবিয়ে মারার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো। তখন সরকারি সংস্থাগুলো আমাদের নিরাপত্তা দেয়নি। তারা নির্বিকার থেকেছে। কিন্তু পুলিশ আমাদের প্রটেকশন দিয়েছিলো।

অপরদিকে দখলকারীরা হাইকোর্টে রিট করে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতো। এর ফলে নদী কমিশনসহ অন্য সংস্থাগুলো কিছু করতে পারেনি। তবে এই রায়ে দখলদারদের আর কোন সুযোগ নেই। কারণ হাইকোর্টের রায়ের কপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক দ্বয়। এতে সুনির্দিষ্ট করে কাজের তদারকি করতে পারবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। রায়ে নদী, খাল, জলাশয় দখলমুক্ত করে রক্ষা করতে বলা হয়েছে।

এসময় তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা তৈরি করে নদী দখল করা হয়। আবার সামাজিক সংগঠনের নামে নদী দখল করা হয়। আসলে এগুলোর মাধ্যমে দখল শুরু হয়। তবে আশার কথা হলো বিভিন্ন সংস্থার তৎপরতা দেখে ভালো লাগছে যে তারা এবার ক্রাস প্রোগ্রাম চালাচ্ছে, বর্তমান এমপির স্থাপনা ভাঙ্গা হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে আশাকরি স্থায়ীভাবে নদী দখল মুক্ত করতে পারবে। এছাড়া হাইকোর্টের রায়ে নদী কমিশনসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়