শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ (ভিডিও) ◈ ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি, এবার দিল্লিকে যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ ৪৮তম বিশেষ বিসিএস: ৩২৬৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ ◈ ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব ◈ একটি দলের কার্যকলাপ নিয়ে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বললেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ তিন নেতার কবর জিয়ারত করে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু এনসিপির ◈ ৮ ইউএনওকে বদলির আদেশ বাতিল ◈ ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু, কেজিপ্রতি কত ◈ ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ (ভিডিও) ◈ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা এখন গলার কাটা, সুযোগ নিতে পারে অন্যরা

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুলের সেই দিনগুলো…

মাহফুজুর রহমান

পাকিস্তান আমলে পুরো গ্রামের মধ্যে দুজনের দুইটা হাত ঘড়ি ছিলো। আমি নিজেও মেট্রিকের আগে হাতঘড়ি লাগাইনি। সূর্য দেখেই মানুষ সময় নির্ধারণ করতো, যেদিন সূর্য মেঘে ঢেকে যেতো যেদিন আলোর গতিবিধি দেখেই মানুষ সময় নির্ধারণ করতো।
আমাদের স্কুল আরাম্ভ হতো সকাল ১১টায়। ঘরের ছায়া ধরে মাটিতে ৩টা দাগ দিতাম, প্রথম দাগ সকাল ৯টা, এই দাগে সূর্যের আলো পড়লে বইপুস্তক বন্ধ, ইউরিয়া সারের কাগজ দিয়ে বানানো বল, ধুমছে আমরা কয়েকজন মিলে পেটাতাম, এর পরে ধুমছে পুকুরে লাফালাফির গোসল। এরপরে দ্বিতীয় দাগ ছিলো খাওয়া দাওয়ার। গরম ভাত, আলুর ভর্তা আর বেগুনের ঘণ্ট। এই তো খাবার। দড়ি দিয়ে বইপত্র শক্ত করে বেঁধে ভোঁ দৌড়। পহেলা বেঞ্চ, ওটা আমাদের কয়েকজনের জন্য ছিলো । টিফিনে? না, আজকের মতো খাওয়া দাওয়া জুটতো না। কলের পানি-টানি খেতাম, হঠাৎ করে দু’একদিন মুড়ি-মুড়কি খেতাম ।
টানা ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা। কোনোদিন ১ ঘণ্টা আগে ছুটি হলে স্কুলের মাঠেই ধুমছে ফুটবল পেটাতাম। স্কুল থেকে গ্রামের দূরত্ব দেড় মাইল। বই রেখে ফ্রেশ হয়ে, কড়কড়া (ঠাÐা) ভাত। ওই ভর্তাভুর্তা দিয়েই খেতাম। এরপরে মাঠে দৌড়, আজানের পরে ঘরে ফিরে বইপুস্তক নিয়ে বসা। মাস্টার তো পাইনি? কে দেবে এতো টাকা? তাছাড়া তখন মাস্টার রাখার নিয়ম ছিলো না, লজিং মাস্টার একজন আমাদের পাশের বাড়িতে থাকতেন, তিনিও আমাদের ক্লাসের, আরও লাড্ডু মার্কা ছাত্র। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়