শিরোনাম
◈ ইরানে বিক্ষোভে রক্তপাত বাড়ছে, হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ◈ ‘সোমালিল্যান্ড’ ইস্যুতে ইসরায়েলের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান, ওআইসিতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট ◈ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির গুলি, কিশোরী নিহত ◈ নির্বাচনের তফসিলের পরও বাড়ছে খুন-সন্ত্রাস: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগে দেশ ◈ ইংল‌্যান্ড দ‌লের ক্রিকেটাররা মদ্যপান করে না, একটু আধটু বিয়ার খায়!‌ ক্রিকেটারদের সাফাই গাই‌লেন কোচ ম্যাকালাম ◈ ভোটের মাঠে নেই নিবন্ধিত ৮ দল, বর্জনে কি অর্জন তাদের? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ১,২৪৮ জন খে‌লোয়াড়‌কে ডি‌জিটাল স্ক্যান! আসতে চলেছে ফিফার নতুন নিয়ম  ◈ তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিহিংসামুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতির প্রত্যাশা জাপার ◈ ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ ভাবছেন ট্রাম্প ◈ নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠনে আবারও সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত মাহফুজ আলমের

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৫:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুলের সেই দিনগুলো…

মাহফুজুর রহমান

পাকিস্তান আমলে পুরো গ্রামের মধ্যে দুজনের দুইটা হাত ঘড়ি ছিলো। আমি নিজেও মেট্রিকের আগে হাতঘড়ি লাগাইনি। সূর্য দেখেই মানুষ সময় নির্ধারণ করতো, যেদিন সূর্য মেঘে ঢেকে যেতো যেদিন আলোর গতিবিধি দেখেই মানুষ সময় নির্ধারণ করতো।
আমাদের স্কুল আরাম্ভ হতো সকাল ১১টায়। ঘরের ছায়া ধরে মাটিতে ৩টা দাগ দিতাম, প্রথম দাগ সকাল ৯টা, এই দাগে সূর্যের আলো পড়লে বইপুস্তক বন্ধ, ইউরিয়া সারের কাগজ দিয়ে বানানো বল, ধুমছে আমরা কয়েকজন মিলে পেটাতাম, এর পরে ধুমছে পুকুরে লাফালাফির গোসল। এরপরে দ্বিতীয় দাগ ছিলো খাওয়া দাওয়ার। গরম ভাত, আলুর ভর্তা আর বেগুনের ঘণ্ট। এই তো খাবার। দড়ি দিয়ে বইপত্র শক্ত করে বেঁধে ভোঁ দৌড়। পহেলা বেঞ্চ, ওটা আমাদের কয়েকজনের জন্য ছিলো । টিফিনে? না, আজকের মতো খাওয়া দাওয়া জুটতো না। কলের পানি-টানি খেতাম, হঠাৎ করে দু’একদিন মুড়ি-মুড়কি খেতাম ।
টানা ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা। কোনোদিন ১ ঘণ্টা আগে ছুটি হলে স্কুলের মাঠেই ধুমছে ফুটবল পেটাতাম। স্কুল থেকে গ্রামের দূরত্ব দেড় মাইল। বই রেখে ফ্রেশ হয়ে, কড়কড়া (ঠাÐা) ভাত। ওই ভর্তাভুর্তা দিয়েই খেতাম। এরপরে মাঠে দৌড়, আজানের পরে ঘরে ফিরে বইপুস্তক নিয়ে বসা। মাস্টার তো পাইনি? কে দেবে এতো টাকা? তাছাড়া তখন মাস্টার রাখার নিয়ম ছিলো না, লজিং মাস্টার একজন আমাদের পাশের বাড়িতে থাকতেন, তিনিও আমাদের ক্লাসের, আরও লাড্ডু মার্কা ছাত্র। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়