শিরোনাম
◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন  ◈ বিএনপির অস্তিত্বের লড়াই, জামায়াতের নতুন স্বপ্ন: সারাদেশে চলছে ভোট গ্রহণ ◈ ভোটের দিনে স্বাভাবিক রয়েছে মেট্রোরেল ও ট্রেন চলাচল ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের টহল, কেন্দ্রে কেন্দ্রে উৎসবের আমেজ

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইস্কাটনে জোড়া খুনের দায়ে এমপিপুত্র রনির যাবজ্জীবন

মহসীন কবির : রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল ঈমাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানাসহ রনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে একই বিচারক রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন। তারও আগে গত ৮ মে মামলাটিতে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে রায় ঘোষণার তারিখ বাতিল করে পুনরায় যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন। পরে মামলাটি দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে।

মামলাটির বিচারকালে আদালত ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্য নেন। ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। ২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জ গঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বখতিয়ার আলম রনিকে তিন দফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই কারাগারে পাঠান আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন রনি। এতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এ ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়