শিরোনাম
◈ চরফ্যাশন থেকে মিয়ানমারে সরকারি সার পাচার, কৃত্রিম সংকটে বিপাকে কৃষক! ◈ রাজধানীতে দুই ঘণ্টায় ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, স্কুলবাসে আগুন ◈ সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে-সাবলেট বাসিন্দা উচ্ছেদে অভিযান, বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ দেবিদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, অবরুদ্ধ এমপি হীরার গাড়িবহর ◈ ভারত‌কে হা‌রি‌য়ে যুব এশিয়া কাপে গ্রুপসেরা পাকিস্তান ◈ সিরিয়ার কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত, বড় হারে বাংলাদেশের বাছাইপর্ব শুরু ◈ নাগরিক সেবায় হয়রানি নয়, ভুল ধরিয়ে দিয়ে সংশোধনের পথ দেখাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ আসছে টানা চার দিনের লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ ◈ ২৩ বছর পর শিরোপার স্বপ্ন, এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ◈ রাজধানীর পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ, পালিয়ে গেল ২ দুর্বৃত্ত

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৯:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইস্কাটনে জোড়া খুনের দায়ে এমপিপুত্র রনির যাবজ্জীবন

মহসীন কবির : রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল ঈমাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানাসহ রনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে একই বিচারক রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন। তারও আগে গত ৮ মে মামলাটিতে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে রায় ঘোষণার তারিখ বাতিল করে পুনরায় যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন। পরে মামলাটি দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে।

মামলাটির বিচারকালে আদালত ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্য নেন। ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। ২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জ গঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বখতিয়ার আলম রনিকে তিন দফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই কারাগারে পাঠান আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন রনি। এতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এ ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

  • সর্বশেষ