প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রংপুরে আইনজীবী রথীশ হত্যা মামলায় স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

মদিনাতুল রুহি: রংপুরের চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবুসোনা হত্যা মামলায় তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ আদেশ দেয়।
রংপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আব্দুল মালেক বলেন, গত বছরের অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখ থেকে এ হত্যা মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তারপর, ২১ অক্টোবর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দেয় বিচারক।

পিপি আব্দুল মালেক বলেন, গত বছরের ২৯ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর বারের সহকারী সম্পাদক বাবু সোনাকে ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর, তার মরদেহ তাজহাট মোল্লাপাড়ায় প্রেমিক শিক্ষক কামরুলের ভাইয়ের বাড়ির ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়। পরবর্তীতে ৩ এপ্রিল রাতে বাবুসোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ হত্যার কথা স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে বলে দেয়। ওই সূত্র ধরেই ওইদিন রাতেই মোল্লাপাড়ার ওই বাড়ির মেঝে খুঁড়ে নিহত আইনজীবী বাবুসোনার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাবুসোনার স্ত্রী ও তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দিপা, প্রেমিক ও একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক কামরুল ইসলাম, বাবুসোনার সহকারী মিলন মোহন্ত , তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ও মোল্লাপাড়ার বাসিন্ধা সবুজ ইসলাম ও রোকনুজ্জামানকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

এঘটনায় নিহত বাবুসোনার ছোট ভাই সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিক বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত, এই রায়ের কয়েক মাস আগে অপর দুই আসামি বাবুসোনার সহকারী মিলন মোহন্ত মারা যায়। সেই সঙ্গেও রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যায় শিক্ষক কামরুল ইসলাম। হত্যাকাণ্ডে শিকার রথীশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবুসোনা রংপুরে জাপানি নাগরিক হোশি কোনিও হত্যা মামলার বিশেষ পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত