শিরোনাম
◈ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৪ কোটি লিটার তেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন ডাল কিনবে সরকার ◈ জুলাইয়ে চালু হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ, ১৫ দিনেই মিলবে ব্যবসার লাইসেন্স ◈ খেলা দেখাই চাকরি, বিশ্বকাপে ৫০ হাজার ডলার পাচ্ছেন দুই ফুটবলপ্রেমী, ভাইরাল দুই সমর্থকের গল্প ◈ ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল স্থগিত ◈ চীনে খুলছে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস, বাড়বে শিল্প সহযোগিতা, কোম্পানিগুলোকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের ◈ ছিঁড়ে যাচ্ছে জার্সি, বিশ্বকাপে কেন এমন অপেশাদারিত্ব?  ◈ একদিনের ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম ◈ পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা পাওয়ার হিটিং শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে   ◈ শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০টি ট্রেনের কোচ

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৪:৪০ সকাল
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৪:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিক্ষা হলো জাতির মেরুদ- আর শিক্ষক হলেন শিক্ষার মেরুদ- বললেন  আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক

সৌরভ নূর : চট্টগ্রামের একটি স্কুলে অনুসন্ধানকালে দেখা গেছে ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে সাতজনই অনুপস্থিত এই ঘটনার প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, ঘটনাটি সারা দেশের নমুনাচিত্র না হলেও একবারেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমার মনে হয় বিভিন্ন জায়গায় প্রায় কাছাকাছি ধরনের চিত্র পাওয়া যাবে। আমরা যখন মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাপনার কথা বলি তখন শিক্ষকদের অবহেলার চিত্র বারবার উঠে আসে এবং তাদের দায়িত্বে নিষ্ঠাবান হওয়ার কথা বারবার বলা হচ্ছে। কেননা শিক্ষা হলো জাতির মেরুদ- আর শিক্ষক হলেন শিক্ষার মেরুদ-।

এই প্রতিবেদককে তিনি আরো বলেন, শিক্ষকরা যদি সঠিকভাবে পাঠদান না করেন, ছাত্র-ছাত্রীদের সময় না দেন তাহলে শিক্ষার মান বাড়বে কি করে ? অতএব শিক্ষকদের উচিত প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠদান করা এবং  ক্লাসের বাইরেও শিক্ষার্থীদের সময় দেয়া। শুধু ক্লাস রুমের শিক্ষা নয়, তাদের জীবনী শিক্ষা, সততা ও সদাচরণের শিক্ষা দিতে হবে। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও শিক্ষা দেয়া শিক্ষকেরই দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব তারা সততার সাথে পালন করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা ।

দেশের সকল স্থানে গিয়ে সবকিছু মনিটরিং করা দুদুকের পক্ষে সম্ভব নয়। সেক্ষত্রে শিক্ষা প্রশাসনের যে স্বাভাবিক পদ্ধতি রয়েছে তাদের আরো গতিশীল হতে হবে। যেমন থানা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার। শিক্ষা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় এই বিষয়গুলো উল্লেখ করা আছে। শিক্ষকরা স্কুলে সঠিক সময়ে আসছেন কিনা, শিক্ষাদানের পদ্ধতি সঠিক আছে কিনা নিয়মিত খতিয়ে দেখা। শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহাল রয়েছে কিনা এগুলো দেখার জন্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যারা নিযুক্ত রয়েছেন তাদের আরো সক্রিয় হওয়া বাঞ্ছনীয়। এছাড়া কিছু বিষয়ে কনটিনিউয়াস মনিটরিঙের এর মধ্যে থাকলে অবস্থার পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন এই শিক্ষাবিদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়