শিরোনাম
◈ আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ◈ টেকনাফে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব ◈ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি ◈ সমঝোতা জটিলতায় ১১ দলীয় জোটে উন্মুক্ত আসনের সম্ভাবনা ◈ পুরোনো রাজনীতি বনাম নতুন ব্যবস্থা: বাংলাদেশের সামনে কঠিন নির্বাচন ◈ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে বাংলাদেশি কর্মীর নিঃস্বার্থ মানবিকতা ভাইরাল, সৌদি কর্তৃপক্ষের সম্মাননা ◈ শিক্ষার লক্ষ্য চাকরির প্রস্তুতি নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়া: দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে ড. ইউনূস ◈ ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে ◈ বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াত ১,৫২১ জন, আমদানি–রফতানি ৩০০ ট্রাক ◈ ইরানে দেশব‌্যাপী চলমান বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর অবস্থান কী, সরকার কী চায়?  

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৫৩ সকাল
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গভীর রাতে বসতঘরে সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হানা, তাণ্ডব ও লুটপাট

নুরুল করিম আরমান, লামা: আবারো বান্দরবানের লামা উপজেলায় বেশ কয়েকটি বসতঘরে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে একটি সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসী দল। রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার লামা সদর ইউনিয়নের বৈল্লারচর, ঠাকুরঝিরি ও বরিশাল পাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয়দেরকে মারধরসহ বসতঘরে লুটপাট চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার পর এলাকার লোকজনের মাঝে ভয়-ভীতি ও আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ৩০-৩৫ জনের সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী রোববার দিকাগত রাত ২টার দিকে প্রথমে সদর ইউনিয়নের বৈল্ল্যারচর গ্রামের রবিউল আলম ভূঁইয়ার বাড়িতে রাত ১টার দিকে হামলা করে। পরে ঘরের লোকজনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে অন্যদিকে চলে যায়। এরপর পাশের বরিশাল পাড়ার সাবেক মেম্বার আব্দুল ছোবাহানের বসতঘরে ঘন্টাব্যাপী তাণ্ডব চালিয়ে জিনিসপত্র তছনছ করে ও লুটপাট চালায়। যাওয়ার সময় ওই ঘরের সমির উদ্দিন (৫৫) নামের একজনকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। সবশেষে রাত ২টার সময় ঠাকুরঝিরি গ্রামের মেহের আলীকে মারধর করে তুলে নিয়ে গেলেও পরক্ষণে তাকেও ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় ৩০-৩৫ জনের সন্তাসী দলটির সব সদস্যের গায়ে জলপাই রংয়ের পোশাক ও হাতে ভারী আগ্রেয়াস্ত্র ছিল। মাস দু’য়েক আগেও এই সন্ত্রাসী দলটি হামলা চালিয়েছে। মূলত চাঁদা আদায়ের জন্যেই এই হামলা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারনা। স্থানীয় রবিউল হোসেন ভুইয়া, মেহের আলীসহ আরো অনেকে বলেন, আমাদের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। সন্ত্রাসীরা একইভাবে আবারো হামলা করতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকায় একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের জোর দাবী জানাচ্ছি।

গভীর রাতে বসতঘরে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন বলেন, কয়েকদিন পর পর সন্ত্রাসীদের এই ধরনের হামলার কারণে স্থানীয়রা যথেষ্ট আতংকের মধ্যে রয়েছে। হামলা থেকে রক্ষা পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন তিনি। এদিকে হামলার ঘটনাটি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়