শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৫৩ সকাল
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গভীর রাতে বসতঘরে সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হানা, তাণ্ডব ও লুটপাট

নুরুল করিম আরমান, লামা: আবারো বান্দরবানের লামা উপজেলায় বেশ কয়েকটি বসতঘরে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে একটি সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসী দল। রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার লামা সদর ইউনিয়নের বৈল্লারচর, ঠাকুরঝিরি ও বরিশাল পাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয়দেরকে মারধরসহ বসতঘরে লুটপাট চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার পর এলাকার লোকজনের মাঝে ভয়-ভীতি ও আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ৩০-৩৫ জনের সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী রোববার দিকাগত রাত ২টার দিকে প্রথমে সদর ইউনিয়নের বৈল্ল্যারচর গ্রামের রবিউল আলম ভূঁইয়ার বাড়িতে রাত ১টার দিকে হামলা করে। পরে ঘরের লোকজনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে অন্যদিকে চলে যায়। এরপর পাশের বরিশাল পাড়ার সাবেক মেম্বার আব্দুল ছোবাহানের বসতঘরে ঘন্টাব্যাপী তাণ্ডব চালিয়ে জিনিসপত্র তছনছ করে ও লুটপাট চালায়। যাওয়ার সময় ওই ঘরের সমির উদ্দিন (৫৫) নামের একজনকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। সবশেষে রাত ২টার সময় ঠাকুরঝিরি গ্রামের মেহের আলীকে মারধর করে তুলে নিয়ে গেলেও পরক্ষণে তাকেও ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় ৩০-৩৫ জনের সন্তাসী দলটির সব সদস্যের গায়ে জলপাই রংয়ের পোশাক ও হাতে ভারী আগ্রেয়াস্ত্র ছিল। মাস দু’য়েক আগেও এই সন্ত্রাসী দলটি হামলা চালিয়েছে। মূলত চাঁদা আদায়ের জন্যেই এই হামলা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারনা। স্থানীয় রবিউল হোসেন ভুইয়া, মেহের আলীসহ আরো অনেকে বলেন, আমাদের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। সন্ত্রাসীরা একইভাবে আবারো হামলা করতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকায় একটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের জোর দাবী জানাচ্ছি।

গভীর রাতে বসতঘরে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন বলেন, কয়েকদিন পর পর সন্ত্রাসীদের এই ধরনের হামলার কারণে স্থানীয়রা যথেষ্ট আতংকের মধ্যে রয়েছে। হামলা থেকে রক্ষা পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন তিনি। এদিকে হামলার ঘটনাটি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ