শিরোনাম
◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা ◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল? ◈ প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা ◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০১৮, ১১:৪৯ দুপুর
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০১৮, ১১:৪৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্ঞানচর্চায় উৎসাহ দিতেন মহানবী সা.

আল-আমিন : জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান-সাধনা মানুষের আদি প্রবৃত্তি। অজানাকে জানা, অচেনাকে চেনা এবং অজয়কে জয় করা মানুষের সহজাত গুণ। জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা অপরিহার্য। তাই মানব সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে জ্ঞান-সাধনা ও শিক্ষার প্রসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাস্তব কারণেই মহানবী (সা.) শিক্ষা অর্জন ও জ্ঞানর্চার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি ছিলেন পরিপূর্ণ ও পরিশুদ্ধ জ্ঞানের ভা-ার আল কুরআনের ধারক-বাহক। অজ্ঞতার এক চরম পর্যায়ে, অশান্তির এক অগ্নিঝরা দিনে, জালিমের দোর্দ- প্রতাপে মাজলুম মানবতার মুক্তি যখন অত্যাবশ্যকীয় হয়ে ওঠেছিলো, ঠিক সে সংকট সন্ধিক্ষণে শিক্ষার আলোকিত মশাল নিয়ে এসেছিলেন মহানবী (সা.)। তার এ জ্ঞানের মশাল জ্বলে ওঠেছিলো শত দীপশিখায়, ছড়িয়ে পড়েছিলো দিগদিগন্তে।

রাসুল (সা.)- এর জ্ঞানের উৎস:
প্রিয়নবী (সা.) আশৈশব ছিলেন উম্মী তথা তিনি ছিলেন দয়াময় আল্লাহর তত্ত্বাবধানে তৈরী একজন আদর্শ শিক্ষক। মহান রাব্বুল আলামিন তাকে নিজের দেয়া জ্ঞানে ভূষিত করেন। মহান আল্লাহই ছিলেন তার শিক্ষক। মানবীয় বিবেচনায় তিনি উম্মী, অথচ আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানে তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী। অসীম ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ তাকে শিক্ষা দিয়েছেন। রাসুল (সা.) বলেন, 'আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। হুজুর (সা.)- এর সকল জ্ঞানের উৎস হলেন মহান রাব্বুল আলামিন এবং তার প্রদত্ত কিতাব। সেজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, তোমাদের সঙ্গী মুহাম্মদ কখনোই ভুল করেন না। (সুরা নাজম:০২)।

শিক্ষা অর্জনে মহানবী (সা.)- এর উৎসাহ প্রদান:
প্রিয়নবী জ্ঞান শিক্ষার প্রতি খুব উৎসাহ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, 'প্রত্যেক নর-নারীর ওপর জ্ঞানার্জন করা ফরজ। এ হাদিস হতে জানা যায়, জ্ঞান অর্জন অন্যান্য ইবাতের মতই ফরজ। শিক্ষা গ্রহণের জন্য রাসুল (সা.) কোনো বয়স না সময় বা কালকে সীমাবদ্ধ করেন নি। কেননা, জ্ঞান অসীম। জীবনব্যাপী মানুষ জ্ঞানচর্চায় আত্মনিয়োগ করবে। এটাই মহানবী (সা.)- এর শিক্ষা।

শিক্ষা বিস্তারে রাসুল (সা.) :
শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে মহানবী (সা.) দুনিয়ার বুকে এক মহান আদর্শ রেখে গেছেন। আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াতের সময় মদিনার কিছুসংখ্যক মানুষ ইসলাম কবুল করলে প্রিয়নবী তাদের শিক্ষকরূপে মুসআব বিন উমায়ের (রা.) কে প্রেরণ করেন। মুসআব মদিনায় পৌঁছার কয়েকদিন পর মহানবী (সা.) জুমার নামাজ ও তৎপূর্বে খুৎবা দানের জন্য নির্দেশ পাঠান। এই খুৎবার উদ্দেশ্য ছিলো, আপামর জনগণকে শিক্ষাদান করা। মদীনায় হিজরতের পর রাসুল (সা.) মসজিদে নববী নির্মাণ করেন, যার একাংশ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত। শিক্ষা কেন্দ্রট 'সুফফা' নামে পরিচিত। এটিই ইসলামের প্র থম জামেয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়। নবী কারিম (সা.) ছিলেন এর প্রধান শিক্ষক। যুদ্ধ, রাজনৈতি, সমাজ সংস্কার এবং নতুন রাষ্ট্রের ভিত্তি মজবুত করার কাজে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও তিনি একটা উল্লেখযোগ্য সময় শিক্ষকতায় ব্যয় করতেন।

  • সর্বশেষ