শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের ২৫ বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ◈ ১৫ বছরে দেশের ২১ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, গ্লোবাল ফ্রড সামিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শহীদ মিনারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা, জানা গেল নেপথ্যের ‎কারন ◈ রহস্যে ঘেরা জাবি শিক্ষার্থী শারমিন হত্যা, স্বামী ফাহিম রিমান্ডে ◈ খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে ২৬ কোটি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার সেই প্রতারক ◈ নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’র খবরে রহস্যের জট, এআই বিতর্কের পর এলো নতুন ভিডিও ◈ দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগিতে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর ◈ রেশনিং তুলে নেয়ার পর পাম্পে দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ঋণ নয়, বিনিয়োগে জোর—সঙ্গে ভাবনায় ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০১৮, ০২:২২ রাত
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০১৮, ০২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাঠে খোদাইকৃত বিস্ময়কর আল কোরআন

আমিন মুনশি : পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বৃহৎ আকারের প্রচুর কোরআন শরিফ রয়েছে। সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট ফিচার-রিপোর্টও লেখা হয়। ফলে সেগুলোর ব্যাপারে মানুষের কিছুটা হলেও ধারণা তৈরি হয়েছে। কিন্তু কাঠে খোদাইকৃত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কোরআন শরিফের কথা হয়তো অনেকে জানেন না।

কাঠে খোদাইকৃত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কোরআন রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা প্রদেশের পালেমবাঙ্গেতে। কাঠের ওপর খোদাইকৃত কোরআনের প্রতি পৃষ্ঠার দৈর্ঘ্য ১.৭৭ মিটার ও প্রস্থ ১.৪০ মিটার। অর্থাৎ ৫.৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪.৬ ফুট প্রস্থ।

এমন কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারক সাফওয়াতিল্লাহ মোহজাইব। তিনি জানান, ৩০ পারা কোরআনের এই পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে ৯ বছর সময় লেগেছে। প্রয়োজনীয় কাঠ ও অর্থের অভাবেই মূলত কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে দেরি হয়েছে।

কাঠের বৃহৎ পাণ্ডুলিপিটি তৈরিতে তিনি স্থানীয় টেমবেসু গাছের কাঠ ব্যবহার করেন। শক্ত, মজবুত, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় দক্ষিণ সুমাত্রায় বিভিন্ন স্থায়ী কাঠামো নির্মাণে এ কাঠ ব্যবহার করে থাকেন স্থানীয়রা।

পাঁচতলাবিশিষ্ট এই বিশাল কোরআনটি পেলামবাঙ্গের আল-ইহসানিয়া গান্দুস বোর্ডিং স্কুলের আল-কোরআন আল-আকবর জাদুঘরে রাখা হয়েছে। ২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো বাম্বাং জুহোয়ানোও বৃহদাকারের এ কোরআন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

প্রতিদিন কোরআনটির প্রদর্শনী দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী হাজির হন। বর্তমানে ইন্দোনেশীয় নাগরিকদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এই কোরআন। সাফওয়াতিল্লাহর ভাষ্যানুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে কমপক্ষে ১০ লাখ দর্শনার্থী বিস্ময়কর এই কোরআন পরিদর্শন করেছেন। সূত্র : ইসলামিক নলেজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়