সাজিয়া আক্তার : সমুদ্র উপকূল থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ৭শ মিটার নিচে গভীর সমুদ্রের ১২ নম্বর ব্লকে গ্যাস থাকার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে কোরিয়ান কোম্পানি পস্কো দাইও কর্পোরেশন।
গত বছর কাজ পাওয়ার পর প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার এলাকায় দ্বিমাত্রিক জড়িপ শেষে ৫টি সম্ভাবনাময় কাঠামো খুঁজে পেয়েছে তারা। যার মধ্যে ৩টি কাঠামোতে অধিক সম্ভাবনাময় বলা হয়। বিষয়টি স্পষ্ট করতে আগামী নভেম্বর থেকে দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন জড়িপ করা হবে জানালেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি তাইজুল ইসলাম।
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমা নিস্পতি হয় ২০১২ সালে। কিন্তু ৬ বছর পেরিয়ে গেলে সমুদ্রের কোনো সম্পদ কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ মিয়ানমার এরই মধ্যে দুটি গ্যাস পিল থেকে গ্যাস তুলা শুরু করেছে।
এই অবস্থায় সাগরে তেল গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে না নিলে বড় ধরনের আশঙ্কা করছেন ভূ-তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ।
ভূ-তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, আমরা গ্যাস উত্তোলন করার জন্য অনেক দেরি করে ফেলেছি। কিন্ত এখনো পর্যন্ত সমস্ত বল্ক অনুসন্ধানের আওতায় আসেনি। কেবল মাত্র ৪টি বল্ক অনুসন্ধানে এসেছে। আমরা এখনো জোরালো কার্যক্রম দেখতে পারছি না।
দেশের জ্বালানি গ্যাস সংকট মোকাবেলায় সাগরের গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সুত্র : একাত্তর টেলিভিশন