শাহীন চৌধুরী: চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। তিনি বলেন, ‘কয়লার যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য বাইরে থেকে কিছু কয়লা আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের টিম সিঙ্গাপুর ঘুরে এসেছে। এই মাসের পর থেকে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের আর কোনও সমস্যা থাকবে না।’
বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ ভবনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ ২০১৮’ এর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আমাদের অর্থনীতির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সচিব বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেভাবে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ হয়, বিতরণ ও সঞ্চালনেও তেমন বিনিয়োগ প্রয়োজন। এজন্য এই বিশাল বিনিয়োগ আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে গত জুন মাসের মাঝামাঝিতে ২০১০ নম্বর ফেসে কয়লার মজুদ শেষ হওয়ায় গত ২২ জুলাই থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। টানা ২৯ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ আগস্ট দুপুরে চালু করা হয়েছিল বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইউনিটের উৎপাদন। এক সপ্তাহ পর গত ২৮ আগস্ট এটি ফের বন্ধ হয়ে যায়।
সর্বমোট ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু রাখতে দৈনিক কয়লার প্রয়োজন ৫ হাজার ২’শ মেট্রিক টন। এর আগে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ পিডিবিকে জানিয়ে দেয়, খনির কোল ইয়ার্ডে কয়লার মজুদ নেই। গত ২২ জুলাই কয়লার মজুদ শেষ হয়ে গেলে বন্ধ হয়ে যায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন।