প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও তার ভবিষ্যৎ দায়িত্ব

বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী: আওয়ামী লীগ গত ২৩ জুন ৬৯ বছর পার করে ৭০ বছরে পা রাখলো। উপমহাদেশে কংগ্রেস, মুসলিম লীগ এবং আওয়ামী লীগ ইতিহাস, ঐতিহ্যের ধারক বাহক রাজনৈতিক সংগঠন। কংগ্রেসের কারণে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছে। মুসলিম লীগের অবদান হলো পাকিস্তান সৃষ্টি। আর আওয়ামী লীগ করেছে বাংলাদেশকে স্বাধীন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন টিকাটুলির রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগের জন্ম। মাওলানা ভাসানী, যুবনেতা শামসুল হক আর শেখ মুজিবুর রহমান, মূলত এ তিনজনই ছিলেন দলটির প্রতিষ্ঠালগ্নে মূল নেতা। রোজ গার্ডেনের সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন আতাউর রহমান খান। ১৯৫২ সালে শামসুল হক জেলে থাকায় শেখ মুজিব দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ১৯৫৩ সালের কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সাল থেকেই ১৯৬৬ সালের ইডেন কাউন্সিল পর্যন্ত  (যে কাউন্সিলে ৬ দফা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল) তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

১৯৫৩ সালের কাউন্সিলে দলের ধর্মনিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য মুসলিম শব্দ রহিত করে দলের নাম শুধু আওয়ামী লীগ করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন। কারণ, তিনি মনে করেছিলেন ১৯৫৪ সালের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে এ নিয়ে হয়ত দল বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে। কিন্তু মাওলানা ভাসানী এবং শেখ মুজিবের যৌথ বিরোধিতার কারণে শহীদ সাহেবের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

৫৩ সালের কাউন্সিলের পরে সংগঠন আওয়ামী লীগ নামে পরিচিতি লাভ করে যা আজ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। ৫৩ সালের কাউন্সিলে মাওলানা ভাসানী সভাপতি, আতাউর রহমান খান সহ-সভাপতি, শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক, কোরবান আলী সাংগঠনিক সম্পাদক, ইয়ার মুহাম্মদ খান কোষাধ্যক্ষ ও মুহাম্মদ উল্ল্যাহকে দফতর সম্পাদক করে ২৩ সদস্যের একটা কার্যকরী সংসদ গঠনসহ শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোর ওপর দলের ভিত্তি স্থাপন করা হয়। কার্যকরী সংসদ সদস্যের মাঝে ছিলেন পাবনার ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, চট্টগ্রামের জহুর আহম্মদ চৌধুরী, খুলনার শেখ আব্দুল আজিজ এডভোকেট প্রমুখ।

১৯৪৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর আস্থাভাজন একজন যুবনেতা। ১৯৪৬ সালে থেকে শহীদ সাহেবের কাছাকাছি থেকে শেখ সাহেব তার রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলে ছিলেন। শহীদ সাহেবের আস্থাভাজন হওয়ার কারণে সমগ্র বাংলাদেশে বিশেষ করে পূর্ব-বাংলার যুবা বয়সের মুসলিম লীগের কর্মীদের সঙ্গে শেখ সাহেবের বিশেষ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিলো। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর যখন আওয়ামী লীগ গঠন করেছিলেন শেখ সাহেব তখন পূর্ব-বাংলায় সোহরাওয়ার্দী হাসেম গ্রুপের সেইসব যুবা বয়সের নেতাদের জড়ো করে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ গড়ে তুলেছিলেন।

মাওলানা ভাসানী যদিওবা পূর্ব বাংলার সিরাজগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তিনি ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত ছিলেন আসামে। ভাসানচরেই তিনি পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি একজন পীরও ছিলেন, আবার আসাম মুসলিম লীগের সভাপতিও ছিলেন। সুতরাং পূর্ব পাকিস্তানে জেলা পর্যায়ের নেতাদের মাঝে মাওলানার সম্পর্ক খুব গভীর ছিল না। সবাই ছিলেন শহীদ সাহেবের গ্রুপের লোক। শেখ সাহেবের সঙ্গেই ছিল তাদের আন্তরিক সম্পর্ক। তখন পাকিস্তানে কমিউনিস্ট পার্টি ব্যান্ড ছিল আর কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রায় সব কর্মী আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করা আরম্ভ করেছিলেন। তারা নেতা হিসেবে মাওলানার প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করতেন। শহীদ সাহেব এবং শেখ সাহেবের প্রতি তাদের ভক্তি, শ্রদ্ধা আনুগত্য কিছুই ছিল না।

পরবর্তী সময়ে ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী নামক স্থানে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের পর আওয়ামী লীগ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায় এবং কমিউনিস্টরা মাওলানাকে সভাপতি করে নতুন দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন। অথচ তখন ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র মোতাবেক পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য শহীদ সাহেব এবং শেখ সাহেব প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখনকার সময়ের অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) ইসকান্দর মীর্জার উস্কানিতেই নাকি আওয়ামী লীগকে ভাঙা হয়েছিল। কারণ, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচন করলে তখন নাকি আওয়ামী লীগই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জিতে আসতো।

যা হোক, এ কমিউনিস্টরা কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাওলানার সঙ্গে থাকেননি। একে একে সবাই তাকে পরিত্যাগ করে চলে যায়। আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের মাঝে বিভক্তি এলে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিও বিভক্ত হয়ে যায়। ১৯৬৭ সালে মস্কোপন্থিরা অধ্যাপক মোজ্জাফর আহম্মদকে সভাপতি করে পৃথক ন্যাপ গঠন করেন। মাওলানা ভাসানী চীনপন্থিদের সঙ্গে চীনপন্থি ন্যাপের সভাপতি হিসেবে ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তোয়াহা, আলাউদ্দিন, মতিন, আব্দুল হক, দেবেন সিকদার, কাজী জাফর, রাশেদ খান মেনন, এরাও মাওলানাকে ত্যাগ করে চলে যান।

মাওলানার মৃত্যুর পর মশিউর রহমান তার দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিকে জিয়াউর রহমানের কাছে বিক্রি করে সিনিয়র মন্ত্রী হয়েছিলেন। এখন মাওলানার দলের অস্তিত্ব আর অবশিষ্ট নেই। বেতের টুপি মাথা দিয়ে কিছু লোককে তোপখানা রোডে ঘুরতে দেখা যায়। তারা দাবি করে তারা নাকি ভাসানীর অনুসারী। আসলে ভাসানী বেঁচে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ অফিসে শ্রদ্ধার সঙ্গে মাওলানা এবং শামসুল হক সাহেবের ফটো সংরক্ষণ করেছেন।

১৯৬৫ সালের যুদ্ধের কথা বিবেচনা করে শেখ সাহেব ১৯৬৬ সালে শক্তিশালী পূর্ব পাকিস্তানের ভিত্তি রচনার জন্য ৬ দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের অবস্থা ছিল অসহায়। ২৫ হাজার সৈন্য ছিল। বিমান ও নৌবাহিনীর কোনও কিছুই ছিল না। ১৭ দিন স্থায়ী যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশ দখল করেনি। এটা ছিল ভারতের অনুকম্পা। পাকিস্তানি নেতারা ৬ দফা কখনও মেনে নেননি। আইয়ুব খান বলেছিলেন শেখ মুজিব ৬ দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ‘আমি অস্ত্রের ভাষায় কথা বলব’। কিন্তু শেখ সাহেব ও আওয়ামী লীগ ৬ দফার প্রশ্নে কোনও আপস করেননি। পশ্চিম পাকিস্তানিরাও অস্ত্রের ভাষায় কথা বলতে পিছ পা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর জেনারেল ইয়াহিয়া খান বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে যখন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা আরম্ভ করেন, তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। অবশ্য এ ঘোষণার আগেও তিনি রেসকোর্সের জনসমুদ্রে ৭ মার্চ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’– বলে ঘোষণা করেছিলেন।

দীর্ঘ ৯ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনারা পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছিল। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসেন এবং নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি দেশে ফেরার পর ১৭ মার্চের মাঝে ভারতীয় সেনাবাহিনী ভারতে ফিরে যায়।

বঙ্গবন্ধু ফিরে না এলে ভারতীয় সেনারা সহজে ভারতে ফিরে যেত না বলে অনেকের ধারণা ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ সাহেবকে প্রতি বিপ্লবের সম্মুখীন হয়ে সপরিবারে নিহত হতে হয়। ভাগ্যের ফেরে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। ১৯৭৬ সালে মিজানুর রহমান চৌধুরী আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নেন। জোহরা তাজউদ্দীনকে তখন আহ্বায়ক করা হয়েছিল। ১৯৮২ সালে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনাকে সভাপতি নির্বাচিত করেন। তখন তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন। তিনি দেশে ফিরে দলের হাল ধরেন।

এ যাবৎ দলটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুনরায় সুসংগঠিত হয়ে তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। দল পরিচালনায় শেখ হাসিনা যেমন ব্যর্থতার পরিচয় দেননি, রাষ্ট্রপরিচালনায়ও তার তেমন কোনও ব্যর্থতা নেই। ৫ কোটি লোক যখন ছিল তখন আমরা দেশে ভুখা মিছিল হতে দেখেছি। এখন ১৬ কোটি মানুষ, এক ছটাক চাষের জমি বাড়েনি। কিন্তু খাদ্যের কোনও অভাব নেই। মাছে ভাতে বাঙালির এখন বাংলাদেশে মাছ-ভাতের প্রাচুর্য ভরা। দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। ধীরে ধীরে এখন বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে দেশ। রূপপুর আণবিক প্রকল্পের কাজ চলছে। এ প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

তবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশ আণবিক যুগে প্রবেশ করেছে। মহাকাশে স্যাটেলাইটও স্থাপন করা হয়েছে। দেশের স্থল সীমানা ও সমুদ্রের সীমানা চিহ্নিত হয়েছে। শান্তিতে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এখন শুধু দলের নয়, দেশেরও সম্পদ। সত্যি কথা বলতে কী, তার সমতুল্য কোনও জীবিত নেতা নেই। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে ধূলিসাৎ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ২০০২ সালের ২১ আগস্ট তাকে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যা করতে চেয়েছিল। রাষ্ট্র যখন হত্যা করার জন্য কারো পিছে লাগে তখন বেঁচে থাকাটাই স্রষ্টার কৃপা।

শেখ হাসিনা সৃষ্টিকর্তার কৃপাতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে বেঁচে ছিলেন। ২১ আগস্ট সভামঞ্চ থেকে নেমে যখন গাড়িতে ওঠে চলে যাচ্ছিলেন তখন তার গাড়িতেও গুলি ছুড়ে ছিল। গাড়িটা বুলেটপ্রুফ হওয়াতে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন।

এখন বাংলাদেশে একটা সুন্দর গঠনমূলক বিরোধী দলের প্রয়োজন। বিএনপির রিজভী নামের এক ‘আবাসিক নেতা’ আছে, নয়াপল্টনে ‘দোকান’ খুলে বসে থাকে আর ২৪ ঘণ্টা মিথ্যা কথা বলে প্রেসব্রিফিং করে। ক্ষমতায় থাকলে টাকা কামানো আর বিরোধী দলে থাকলে গোয়েবলীয় দায়িত্ব পালন– এটা তো কোনও সুষ্ঠু রাজনীতির নমুনা হতে পারে না।

২৬ জুন ২০১৮ সারা দিন টিভির সম্মুখে বসেছিলাম। যেভাবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোট হয়েছে তাতে বলা যায় দু-একটা অপ্রিয় ঘটনা ঘটলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আমরা যে ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রশংসা করি তারচেয়েও ভোট সুন্দর হয়েছে। লক্ষ করেছি ৬০/৭০টা কেন্দ্রে টিভির লোকেরা ঢুকে বিএনপির এজেন্ট তালাশ করেছেন, আর প্রত্যেকটা কেন্দ্রে এজেন্ট পাওয়া গেছে। অথচ হাসান উদ্দিন সরকার ও আবাসিক নেতা রিজভী বলছেন কোনও কেন্দ্রে এজেন্ট ছিল না। আসলে পুরো সিটি করপোরেশনে এতবেশি আওয়ামী লীগ কর্মীর সমাবেশ হয়েছে যে ভোটাররা বিএনপির অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি।

গাজীপুরের নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগেরও শিক্ষার বিষয় আছে। অন্তর্কলহ ভুলে আওয়ামী লীগ একতাবদ্ধ হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করার কোনও শক্তি নেই দেশে। ৭০ বছর বয়স আর আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীর জেলে থাকার সময় হিসাব করলে এক হাজার বছর হয়। অনুরূপ একটা মহতী সংগঠনের মাঝে অন্তবিরোধ না থাকলে তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার কে আছে দেশে! আশা করি আওয়ামী লীগ কর্মীরা দেশে বৃহত্তম স্বার্থের কথা চিন্তা করে নিজেদের মাঝের সব কোন্দল মিটিয়ে আগামী সাধারণ নির্বাচন ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক

[email protected]

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত